চট্টগ্রাম মঙ্গলবার, ০১ ডিসেম্বর, ২০২০

সর্বশেষ:

৭ মে, ২০১৯ | ২:১১ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

বেড়ে গেছে মাছ-মাংসের দাম

রমজানের শুরুতে বেড়ে গেছে মাছ ও মাংসের দাম। যদিও একমাস আগেই বাড়তে থাকে কিছু পণ্যের দাম। তবে গতকাল বাজার ঘুরে দেখা যায় কিছু কিছু দোকানি ছোলা, ডাল, চিনি, তেলসহ ইফতারির উপকরণগুলোতে কেজি প্রতি ২-৩ টাকা করে বাড়িয়ে বিক্রি করছে। প্রথম সেহেরি ,তাই বাজারে মাছ ও মাংসের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় ছিল লক্ষনীয়। কাল বাজারে গরুর মাংস বিক্রি হয়েছে ৭০০-৭৫০ টাকায়। যা সাতদিন আগেও বিক্রি হয়েছে ৬০০ টাকায়। রমজানের প্রথম দিনেই কেজি প্রতি ১০০-১৫০ টাকা করে বেড়েছে। মহিষের মাংসের কেজি ৫৫০-৬০০ টাকা এবং ছাগলের মাংস ৭৫০-৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতারা জানান, মাংসের দাম বেশ বেড়ে গেছে।রমজান উপলক্ষে দৈনিক বাজার মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা করা দরকার। না হয় রমজানে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের শেষ থাকবে না। দাম বেড়েছে মাছেরও। সাতদিন আগে ৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হয়েছে ৬০০-৬৫০ টাকায়। কিন্তু , গতকাল একই ইলিশের দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকায়। রুই মাছ ২৮০ থেকে বেড়ে কাল বাজারে বিক্রি করছে ৩০০ টাকায়। কাৎলা মাছ কেজিতে ৩২০-৩৮০ টাকা, তেলাপিয়া ১৩০ থেকে বেড়ে ১৬০ টাকা, পাঙ্গাস ১২০ থেকে ১৪০ টাকা, সরপুটি ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা। দাম বেড়েছে সামুদ্রিক মাছেরও। রূপচাঁদা ৬৫০ থেকে দাম বেড়ে ৭০০ টাকা, লাল কোরাল ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা, বড় চিংড়ি ১০০০ টাকা, মাজারি চিংড়ি ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে খুচরা খেজুরের দাম ১০০ টাকা থেকে ১৮০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করছে। প্রকার বেধে খেজুর ভিন্ন ভিন্ন দামে বিক্রি হচ্ছে। রমজান উপলক্ষে খেজুরের জনপ্রিয়তা একটু বেশি। এবারে রমজান উপলক্ষে বাজারে চার‘শ টাকা থেকে এক হাজার টাকা কেজি দরের খেজুরও উঠেছে। আলরাহাত কেজি ১৪০, আলজাজির কেজি ৩৫০ টাকা, খোরমা কেজি ১৫০ টাকা।
মরিয়ম ব্রান্ডের খেজুরের দাম আটশ থেকে ১২ শ টাকা। গান্দিয়লা ব্রান্ডের এক কেজি খেজুর সাড়ে তিনশ টাকা, টোকারি ব্রান্ডের ৭৫০ টাকা কেজি, রসোদা ব্রান্ডের ২০০ টাকা, তিউনিশিয়া ব্রান্ডের ৪০০ টাকা। সব চেয়ে কম দামের খেজুর ১০০ টাকা । ছোলার কেজি ৮৫ থেকে ১০০ টাকা দামে পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। বার্মা ছোলা কেজি ৭৫ টাকা ও অস্ট্রেলিয়ান ছোলা কেজি ৮০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। তবে গত পনের দিন আগেও ছোল বিক্রি হয়েছে ৭৭ থেকে ৮০ টাকায়। মুগডাল কেজি ৬৬-১১০ টাকা এবং মসুর ডাল ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি রসুন ১০০ টাকা থেকে বেড়ে ১১০-১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ভারতীয় রসুন ১৫০-১৮০ টাকা। পেঁয়াজের কেজি ২২ টাকা থেকে বেড়ে ২৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। চিনি কেজি ৫৫-৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
রমজানের বাজার করতে আসেন আক্তার হোসেন রবিন। তিনি বলেন, ছোলা, ডাল , চিনি ও খেজুরের দাম বেড়েছে। রমজান উপলক্ষে ভোগ্যেপণ্যের দাম কমবে বলেছে বিভিন্ন মিডিয়া। কিন্তু কিনতে এসে দেখি চিত্র ভিন্ন। পারলে আরো দাম বেড়েছে। এ বিষয় বিক্রেতারা জানায় রমজান উপলক্ষে পণ্যের দাম একটু বেড়েছে। সরকারে পক্ষে থেকে নির্ধারণ করা দামেই পণ্য বিক্রি করছেন বলে দাবি করেন তারা।

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 367 People

সম্পর্কিত পোস্ট