চট্টগ্রাম বুধবার, ০২ ডিসেম্বর, ২০২০

সর্বশেষ:

১ ডিসেম্বর, ২০১৮ | ১১:১৬ পূর্বাহ্ণ

সাইফুল আলম/ইমাম হোসাইন রাজু

প্রযুক্তি চর্চায় তরুণেরা

সাইনটিস্ট হওয়ার স্বপ্ন দেশের তরুণদের ছিল না। এমন স্বপ্ন ছিল জন্য দুঃস্বপ্ন। কিন্তু মহাকাশে যখন সফলভাবে দেশের প্রথম স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হলো এবং দেশেই যখন স্যাটেলাইটের মত বিষয়ে গবেষণা শুরু হলো, তখন দেশের তরুণেরা আবার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে সাইনটিস্ট হওয়ার।
এসব স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে কাজ করে চলেছে বাংলাদেশ ইনোভেশন ফোরাম। যারা দেশের ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা উদ্ভাবনী তরুণ নিয়ে আসছে এক কাতারে এবং সহযোগিতা করছে সব রকম লজিস্টিক সাপোর্ট দিয়ে।
গত বৃহস্পতিবার দৈনিক পূর্বকোণের নিয়মিত আয়োজন পরিবর্তনের কারিগর অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ইনোভেশন ফোরামের সেন্ট্রাল এক্সিকিউটিভ কাউন্সিল মেম্বার শাহাদত হোসেন রিয়াদ এসব কথা বলেন। পূর্বকোণ স্টুডিও থেকে সরাসরি সম্প্রচারিত অনুষ্ঠানে আরো ছিলেন ফোরামের চট্টগ্রাম ডিভিশনাল টিম মেম্বার তৌফিকুল ইসলাম ও সুলতানুল আরেফিন।
পূর্বকোণ : বাংলাদেশ ইনোভেশন ফোরাম সম্পর্কে বলেন এবং চট্টগ্রাম ডিভিশনে কি কি কাজ করছেন?
শাহাদত হোসেন রিয়াদ : ২০১৬ সালের ১ আগস্ট ঢাকা থেকে আমাদের যাত্রা শুরু। প্রতিষ্ঠাতা হলেন আরিফুর রহমান অপু। ঢাকা থেকে যাত্রা শুরু হলেও বর্তমানে সারা দেশে আমাদের কার্যক্রম অব্যহত আছে। ঢাকার পরে চট্টগ্রামেই আমাদের বেশি কর্যক্রম চলে। ছোট করে বলতে গেলে আমাদের নামের মধ্যেই আছে আমরা ইনোভেশন করি। ইনোভেশন আসলে নতুন একটি শব্দ। নিত্যনতুন প্রযুক্তির যে উদ্ভাবন আসে সেগুলো নিয়েই আমাদের কাজ। যেমন আজ থেকে কিছু বছর আগে স্যোশাল মিডিয়া বলতে কিছুই ছিল না। কিন্তু আজকাল সেটি সবার হাতে হাতে। আরও এমন অনেক ডিজিটাল টেকনোলজি আছে যেগুলো কিছুদিন আগেও আমরা কল্পনা করতে পারিনি। বর্তমানে আমাদের দিন শুরু হচ্ছে আধুনিক টেকনোলজি দিয়ে আর শেষও হচ্ছে এসব টেকনোলজি দিয়ে। দৈনন্দিন কাজ থেকে শুরু করে প্রত্যেকটি বিষয়ে আমরা টেকনোলোজির ব্যবহার করছি।
তবে টেকনোলোজির শুরু ব্যবহারকারী বাড়ালেই হবে না। বরং এর টেকনিক্যাল যেসব বিষয় রয়েছে তার সম্পর্কে ধারণা দিতে হবে। যেমন ধরুন, আমরা আমাদের অফিসের লাইট অন করে বাসায় চলে গেলাম। অফ করার কথা মনে ছিল না। ঠিক পরদিন এসে আমাদের তা বন্ধ করতে হচ্ছে। কিন্তু আইওটি আমাদের এখানে একটি নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে। সেটি হলো আমরা যেখানেই থাকিনা কেন, আমরা চাইলেই একটি ডিভাইস ব্যবহার করে সব ফ্যান লাইট বন্ধ করে দিতে পারি। অর্থাৎ এই টেকনোলজির যেমন ব্যবহার বাড়ছে, তেমনি এর ডেভেলপার বাড়াতে হবে। পাশাপাশি এসব টেকনিক্যাল বিষয় শেখানোর জন্য দক্ষ কারিগরও দরকার। ইনোভেশন ফোরাম ঠিক সেই কাজটিই করছে। আসলে যুগের সাথে না আগালে আমাদের দেশ পিছিয়ে যাবে। বলে রাখি, আমাদের প্রতিষ্ঠাতা অপু দীর্ঘদিন থেকেই টেকনিক্যাল বিষয়ে কাজ করে আসছে। তার হাত ধরেই সারা দেশের ৬৪ জেলায় আমাদের কাজ চলছে। পাশাপাশি প্রতিটি বিশ^বিদ্যালয়েও আমাদের টিম রয়েছে। কারণ আমরা জানি এসব কাজের চর্চা বিশ^বিদ্যালয় থেকে শুরু হয়। আর শেষ হয় ইন্ডাস্ট্রিতে গিয়ে।
পূর্বকোণ : কবে থেকে এ ফোরামের সাথে যুক্ত হলেন এবং যুক্ত হওয়ার কারণ কি?
সুলতানুল আরেফিন : এই বছরের মার্চ মাসে ঢাকার একটি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের পর থেকে এই ফোরামের সাথে যুক্ত হই। যুক্ত হওয়ার পেছনে মূল কারণ হচ্ছে, আমার ভলেন্টিয়ার স্কিল, প্রেজেন্টের স্কিল এগুলো গ্রো-আপ করা এবং নতুন নতুন যে টেকনিক্যাল বিষয়গুলো নিয়ে ইনোভেশন ফোরাম কাজ করছে তার সম্পর্কে জানার জন্যই আমার ফোরামে যুক্ত হওয়া। শুধুই প্রযুক্তিই নয়, আরও অনেক কিছু জানার আছে ফোরাম থেকে।
পূর্বকোণ : ইনোভেশন ফোরামের মাধ্যমে আপনার কি অর্জন হয়েছে, বা কি শিখলেন?
সুলতান আরোফিন : আমি আগে কারো সাথে মিশতে পারতাম না। ঠিকমত কথাও বলতে পারতাম না। কিন্তু ফোরামের সাথে যুক্ত হওয়ার পর সবার সাথে কথা বলতে পারছি। সহজে কারো সাথে মিশতে পারছি। এসব কিছু আমি এই ফোরামের সাথে যুক্ত হওয়ার পর থেকেই শিখলাম।
পূর্বকোণ : বাংলাদেশ ইনোভেশন ফোরামে কাদের নিয়ে কি ধরণের কাজ করে?
শাহাদত হোসেন রিয়াদ : এমনও অনেক মানুষ আছে যাদের একজন বিজনেস আইডিয়া নিয়ে বসে আছে, অন্যজন বিজনেস করার মূলধন নিয়ে বসে আছে। তাদের দুই জনের সমন্বয়েই আমাদের মূলত বিজনেস কাজগুলো হয়। তবে এর বাহিরেও অনেক কাজ হয়। একজন শিক্ষার্থী অনেক স্বপ্ন দেখে, আমি অনেক কিছু করবো। কিন্তু সে আসলে কতটুকু করতে পারবে সে সম্পর্কে আমরা তাদের সহযোগিতা করে থাকি।
সারা দেশে তরুণদের মাঝে ইনোভেটিভ কালচার তৈরি করা এবং যদি কারো ইনোভেটিভ কোন আইডিয়া থাকে সেটিকে বাস্তবায়নের জন্যে যুগোপযোগী সাপোর্ট দেয়া। ইতোমধ্যে সংগঠনটি দেশের প্রতিটি বিভাগে তার কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং দেশের ২৫৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এর নিজস্ব কমিটি রয়েছে। এছাড়াও সারাদেশে দুই শতাধিক মেন্টর আছে, যারা ইতোমধ্যে নিজ নিজ ক্ষেত্রে সফলতার পরিচয় দিয়েছে।
প্রতিষ্ঠার স্বল্প সময়ের মধ্যেই এই ফোরাম দেশব্যাপী বিভিন্ন কার্যক্রম সফলভাবে পরিচালনা করেছে। তার মধ্যে উল্লেখ যোগ্য হল- টেক টেক, যা ২০১৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর যাত্রা শুরু করে। স্পেস অ্যাপসনেক্সট জেন- বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল এবং বাংলাদেশ ইনোভেশন ফোরামের যৌথ উদ্যোগে দেশে প্রথমবারের মত আয়োজিত হয় স্পেস অ্যাপস নেক্সজেন। ইনফোরমেশন টেকনোলজি কনফারেন্স- তথ্য প্রযুক্তির বিকাশে স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে দিনদিন আইসিটি বিষয়ক দক্ষ জনবল বাড়াতে ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সালে বেসিস মিলনায়তনে দিনব্যাপী আয়োজিত হয় ইনফরমেশন টেকনোলজি কনফারেন্স।
এছাড়াও ক্যারিয়ার ক্লিনিক, ওয়ার্কশপ অন ইনোভেশন উইথ বিগডেটা এনালাইসিস, আইওটি এবং মোবাইল, ওয়ার্কশপ অন ইনোভেশন এ- ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি, বিজনেস ইনোভেশন সামিট, বিজনেস প্ল্যানিং সেমিনার, তরুণ প্রজন্মকে গেমিং নিয়ে দিক নির্দেশনা দিতে গেমিং কনফারেন্স, ডিজিটাল মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি ফর বিজনেস, ডাটা সায়েন্স এর উপর সেমিনার, শিশুদের নিয়ে ‘রোবট বানাই’ নামক অনন্য উদ্যোগ, স্পেস ইনোভেশন সামিট, ক্যারিয়ার কন, সরকারি বিভিন্ন সংস্থার সাথে পার্টনারশিপ, ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড এর অন্যতম সহযোগী হিসেবে ইনোভেশন জোন পরিচালনা করা হয়।
পূর্বকোণ : আপনি ফোরামের সাথে যুক্ত হলেন কখন থেকে?
তৌফিকুল ইসলাম : ফোরামের আত্মপ্রকাশের পর থেকেই আমি তার সাথে যুক্ত আছি। প্রথমত এর সাথে যুক্ত হওয়ার পেছনে কারণ হল ফোরামের ভলেন্টিয়ারিজম। আমার ভলেন্টিয়ার কাজ করতে বেশি ভাল লাগে। কারণ একজন ভলেন্টিয়ার যেভাবে কাজ করে অন্যকে সহযোগিতা করতে পারে, সে সবসময় নিজেকেও সহযোগিতা করতে পারে। যেমন আজ আমার মাধ্যমে একজন একটি বিষয়ে জানলো কিন্তু এমন একটি সময় আসবে আমি যে বিষয়টি জানিনা তখন সে আমাকে জানাতে আগ্রহী হয়ে থাকবে।
পূর্বকোণ : ফোরামের সাথে কাজ করতে গিয়ে আপনার অভিজ্ঞতা হলো?
শাহাদাত হোসাইন রিয়াদ ঃ আমরা যখন বেসিসের সহযোগিতায় নাসা স্পেস এপস চ্যালেঞ্জ নিয়ে স্কুল কলেজে যাই তখন তারা বিশ্বাসই করতে চায় না বাংলাদেশেই নাসার কার্যক্রমগুলো হয়। কারণ নাসার সাথে কাজ করাটা সবার কাছেই স্বপ্নের মতো। শুরুর দিকে সবাইকে এ বিষয়ে বিশ্বাস করাতেই আমাদের অনেক সময় লেগে গিয়েছিল।
দেশে আমরাই সর্বপ্রথম চল্লিশ জন ক্ষুদে বিজ্ঞানী ও ব্রাক অন্বেশার দুই জন ট্রেইনার মিলে একটি ক্যানসেট স্যাটেলাইট তৈরি করে স্পেস ইনোভেশন সামিটে সাবমিট করি। ঢাকার কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটে আমরা সেই ক্যানসেট স্যাটেলাইটের সফল ড্রপ টেস্ট করেছিলা। এর মাধ্যমে মূলত আমরা নতুনদের স্যাটেলাইট কিভাবে তৈরি করতে হয় এবং সেটি কিভাবে কাজ করে সেটিই শিখিয়েছিলাম। কারণ বাংলাদেশের নিজস্ব একটি স্যাটেলাইট এখন মহাকাশে রয়েছে। কিন্তু শুধু এই একটি স্যাটেলাইটে নির্ভর করে থাকলে হবে না। দেশের তরুণেরাই যেন স্যাটেলাইট তৈরি করতে পারে সে বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া ও উদ্বুদ্ধ করাই আমাদের ফোরামের উদ্দেশ্য ছিল।
দেশের তরুণদের সাইনটিস্ট হওয়ার স্বপ্ন ছিল না। ছিল দুঃস্বপ্ন। কিন্তু দেশে যখন স্যাটেলাইটের মত বিষয়ে গবেষণা হচ্ছে সেটি দেখে এখন তরুণেরা আবার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে সাইনটিস্ট হওয়ার।
পূর্বকোণঃ তৌফিকের কাজের একটি অর্জনের কথা জেনেছি। সেই অর্জনের গল্পটি আমরা জানতে চাই।
তৌফিকুল ইসলাম : ২০১৭ তে নাসার স্পেস এপস চ্যালেঞ্জে আমি আমার টিম নিয়ে গিয়েছিলাম ভূমিকম্প থেকে রক্ষার একটি প্রজেক্ট নিয়ে। দেশের সকল জেলা থেকে মোট ৫০টি টিম সেই চ্যালেঞ্জে অংশগ্রহণ করেছিল। প্রতিটি টিমে সদস্য ছিল ৫ থকে ৭জন করে। এ্যারে সিটিজি নামে আমার টিম সেই চ্যালেঞ্জে অংশ নিয়েছিল। তবে এর আগেই আমি বাংলাদেশ ইনোভেশন ফোরামের সাথে যুক্ত হয়ে ২০১৬ সালের নাসার স্পেস এপস চ্যালেঞ্জে ভলেন্টিয়ার হিসেবে কর্যক্রমগুলো শিখি। অর্থাৎ তারা কিভাবে কাজ করে, কিভাবে নাসার সাথে কাজ করতে হয় এবং কিভাবে নিজের দক্ষতার পরিচয় দিতে হয়। বাংলাদেশ ইনোভেশন ফোরামের সাথে থেকে এসব শিখে তারপর ২০১৭ তে সেই চ্যালেঞ্জে অংশগ্রহণ করি।
সারাবিশ্বে ভূমিকম্পে এখন ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি হচ্ছে। বিগত সময়ে নেপালে ঘটে যাওয়া ভূমিকম্পের প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি দিয়ে আমরা এর ভয়াবয়তা আন্দাজ করতে পারি। ফলে আমার টিমের চিন্তা ছিল এই ভূমিকম্প থেকে কিভাবে মানুষকে রক্ষা করা যায়।
আমার এমন একটি পরিকল্পনা করেছিলাম যার মূল ধারণাটি আমরা পাই ক্যামেরার গ্রিম্বাল বা স্টাব্লাইজার থেকে। অর্থাৎ আমরা লক্ষ্য করলাম, বর্তমানে স্টাব্লাইজারসহ ক্যামেরা নিয়ে দৌঁড়ালেও ক্যামেরা কিন্তু স্টিল হয়ে থাকে। অর্থাৎ নড়াচড়া করে না এবং ভাল ছবি আসে। সেই থেকে আমরা উদ্বুদ্ধ হলাম এমন একটি প্রজেক্ট তৈরি করতে যেখানে বিল্ডিংগুলো তৈরি হবে ক্যামেরার স্টাব্লাইজারের প্রযুক্তি ব্যবহার করে। সেটি সম্ভব হলে তৈরিকৃত ভবনগুলো ভূমিকম্পেও নড়বে না।
প্রোজেক্টে আমরা একটি সেন্সর ব্যবহার করেছিলাম যেটি ৪ সেকেন্ড আগে ভূমিকম্পকে ডিটেক্ট করতে পারে। সাথে সেখানে গ্রিম্বালের আদলে ভবনের পিলার ভিমগুলো কেমন হবে তারও একটা খসড়া করেছিলাম। তারপর সেই আইডিয়াটি আমি একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের সাথে শেয়ার করি। তিনি বলেন গ্রিম্বালের আদলে ভবন তৈরি কখনই সম্ভব না।
পরে আমরা কিন্তু আমাদের আইডিয়াটিই প্রতিযোগিতায় শেয়ার করেছিলাম এবং সেই আইডিয়াটি চট্টগ্রাম ডিভিশন থেকে জয়ী হয়েছিল। তবে পরবর্তীতে প্রজেক্টের কাজটি কিভাবে হবে তার কিছু ডকুমেন্টশনের অভাবে, এলগরিদম, টেকনিক্যাল ও ফান্ডের কারণে আমাদের আইডিয়াটা খারিজ হয়ে যায়।
পূর্বকোণঃ ইনোভেশন ফোরামের কার্যক্রমগুলো অর্থের যোগান কিভাবে হয়? এবং বিভিন্ন প্রোজেক্টের সীমাবদ্ধতাগুলো ফোরাম কিভাবে সমাধান করে?
শাহাদাত হোসাইন রিয়াদঃ আমাদের সব কার্যক্রমগুলো দেখেই বোঝা যায় আমরা পুরোপুরি ভলেন্টিয়ারি অর্গানাইজেশন। তাই আমাদের কাজগুলো সম্পন্ন করতে আইটি বা সফটওয়ার ফার্মগুলো স্পন্সর নিয়েই কাজ করতে হয়। তাই কাজগুলো সবসময় খুব একটা সহজ হয় না। আর সীমাবদ্ধতার ব্যাপারটি শুধু ফোরামের নয়। পুরো বাংলাদেশেরই সীমাবদ্ধতা আছে।
তবে বাংলাদেশ ইনোভেশন ফোরাম ইতিমধ্যে একটি ট্রাই ল্যাব চালু করেছে। যেটি ইনোভেশন ফোরামের আরেকটি কার্যক্রম। এখানে মূলত সেসব আইডিয়া টেকনিক্যাল বা ফান্ডিং এর কারণে আটকে যায় সেগুলোকে পুনরায় গবেষণা করে সফল করার চেষ্টা করা হয়। এই ফান্ডিংএ দেশের আইসিটি ডিভিশনের এটুআই অর্থাৎ একসেস টু ইনফরমেশন বিভাগও রয়েছে। তারা আইডিয়াটি নিয়ে গবেষণা করে এবং ফলপ্রসূ হলে দশ লক্ষ থেকে পাঁচ কোটি টাকা পর্যন্ত ফান্ড দিয়ে থাকে।
পূর্বকোণঃ বাংলাদেশ ইনোভেশন ফোরামের সাথে যোগাযোগের ঠিকানাটি বলুন।
শাহাদাত হোসাইন রিয়াদঃ বাংলাদেশ ইনোভেশন ফোরামের যাবতীয় তথ্য পাওয়া যাবে ফোরামের ওয়েবসাইটে। সাইটের ঠিকানা হলো www.bif.org.bd এছাড়া ফোরামের ফেসবুক পেজ এর ঠিকানা হলো www.fb.com/ictinnovationforum ঢাকা হেড অফিসের নম্বর হলো ০১৭১৩০৭৭৬৪৪। চট্টগ্রামে কারো সাহায্য লাগলে যোগাযোগ করতে পারেন ০১৮১৯৯৪৯১৫১ নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন।

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 506 People

সম্পর্কিত পোস্ট