চট্টগ্রাম মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২০

সর্বশেষ:

২৯ এপ্রিল, ২০১৯ | ২:২৮ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

আদালতে সাক্ষ্য দিলেন পায়েলের মা

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পায়েল হত্যা মামলায় বাদিসহ পাঁচ সাক্ষির স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে। পায়েলের বাবা ও মায়েরও সাক্ষ্যগ্রহণ করেছে আদালত। গতকাল রবিবার পায়েলের মা কোহিনূর বেগম আদালতে ছেলে হত্যার বিচার চেয়ে সাক্ষ্য দেন। আগামী রবিবার অবশিষ্ট সাক্ষিদের সাক্ষ্যগ্রহনের দিনক্ষণ ঠিক করেছেন আদালত। উল্লেখ্য, চাঞ্চল্যকর এই মামলায় হানিফ পরিবহনের চালক, হেলপার ও সুপারভাইজারকে আসামি করা হয়েছে। গতকাল রবিবার চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের

ভারপ্রাপ্ত বিচারক আবদুল হালিমের আদালতে পায়েলের মা সাক্ষ্য দেন। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে তাদের জেরা করেন আসামি পক্ষের আইনজীবীরা। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আইয়ূব খান বলেন, ‘পায়েল হত্যা মামলায় তার মা কোহিনূর বেগম আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। আগামী রবিবার বাকি সাক্ষিদের কাছ থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ করা হবে।’ ঘটনার বর্ণনা দিয়ে আদালতে কোহিনূর বেগম বলেন, ‘চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী হানিফ এন্টারপ্রাইজে উঠে পায়েল ফোন করে কখা বলেছিলেন। সকালে আমি ফোন করলে তা পায়েলের বন্ধু আদর ফোনটি রিসিভ করে। এসময় আদর আমাকে জানিয়েছে পায়েল প্রশ্রাব করতে নেমে আর বাসে উঠেনি। এরপর কাউন্টার থেকে বাস চালক ও সুপারভাইজারের নম্বর সংগ্রহ করে খোঁজ নিতে শুরু করি। কিন্তু তারাও জানিয়েছে পায়েল আর বাসে উঠেনি। পরে গজারিয়া থানায় গেলে পুলিশ বাস চালক, হেলপার ও সুপারভাইজার মিলে পায়েলকে খুন করেছে বলে জানায়।’
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আইয়ূব খান বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সাক্ষ্য হয়ে গেছে। আর কয়েকজন বাকি আছে। আমরা আশা করছি নির্ধারিত সময়ের আগে বিচার কাজ শেষ হবে। এই মামলায় তিন আসামীর দুইজন ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। তাই আসামীরা সর্বোচ্চ শাস্তি পাবে বলে বিশ্বাস করছি আমরা।’
উল্লেখ্য, গত বছরের ২১ জুলাই রাতে দুই বন্ধু আকিবুর রহমান আদর ও মহিউদ্দিন শান্তর সঙ্গে হানিফ পরিবহনের একটি বাসে করে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার পথে রওনা হওয়ার পর নিখোঁজ হন পায়েল। ২৩ জুলাই মুন্সিগঞ্জ উপজেলার ভাটেরচর সেতুর নিচের খাল থেকে পায়েলের লাশ উদ্ধার করে গজারিয়া থানা পুলিশ। এরপর হানিফ পরিবহনের ওই বাসের সুপারভাইজার জনিকে ঢাকার মতিঝিল এবং চালক জামাল হোসেন ও তার সহকারী ফয়সাল হোসেনকে আরামবাগ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 372 People

সম্পর্কিত পোস্ট