চট্টগ্রাম বৃহষ্পতিবার, ০৩ ডিসেম্বর, ২০২০

৫ নভেম্বর, ২০২০ | ১:৩৯ অপরাহ্ণ

মুহাম্মদ নাজিম উদ্দিন 

প্রতিরক্ষা ৮০%, ড্রেজিং শূন্য

কর্ণফুলী নদীর তীর সংরক্ষণ ও প্রতিরক্ষা বাঁধের কাজ প্রায় ৮০ শতাংশ শেষ হয়েছে। এরমধ্যে আবার ৭-৮ টি প্যাকেজের কাজ শতভাগ শেষ। কিন্তু প্রকল্পের মেয়াদ তিন বছর হলেও ড্রেজিংয়ের কাজ শুরুই করতে পারেনি পাউবো। নদী ড্রেজিংয়ের কাজ ঠিকাদার জটিলতায় তিন থেকে ছয়টি প্যাকেজে ভাগ করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার চারটি প্যাকেজের টেন্ডার খোলা হবে। বাকি দুটি প্যাকেজের টেন্ডার খোলা হবে ২৩ নভেম্বর। কর্ণফুলী ও ঈছামতি নদীর তীর সংরক্ষণ ও প্রতিরক্ষা এবং ড্রেজিং কাজের তিন শ ৯৬ কোটি নয় লাখ ৭৭ হাজার টাকার প্রকল্প নেয় পানি উন্নয়ন বোর্ড। এরমধ্যে নদী ড্রেজিং প্রকল্পের বরাদ্দ হচ্ছে দুই শ কোটি ১০ লাখ ৭৮ হাজার টাকা। বাকি বরাদ্দ হচ্ছে কর্ণফুলী, ঈছামতি নদীর উভয় তীর সংরক্ষণ এবং শিলকসহ বিভিন্ন খালের প্রতিরক্ষা বাঁধ।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (রাঙামাটি পওর বিভাগ) নির্বাহী প্রকৌশলী নূরুল ইসলাম পূর্বকোণকে বলেন, কর্ণফুলী নদীর তীর সংরক্ষণ ও প্রতিরক্ষা বাঁধের কাজ প্রায় ৮০ শতাংশ শেষ হয়েছে। টেন্ডার জটিলতার কারণে ড্রেজিং কাজ এখনো শুরু করতে পারিনি।’  তীর সংরক্ষণ ও প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ কাজ ১৫ প্যাকেজে ভাগ করা হয়েছে। এরমধ্যে ১৩টি প্যাকেজের কাজ চলমান রয়েছে। দুটি প্যাকেজের কাজ শুরু করা যায়নি। এ দুটি প্যাকেজে নকশা পরিবর্তনের অনুমোদনের জন্য বোর্ডে পাঠানো হয়েছে। ১৩ প্যাকেজের মধ্যে ৭-৮ প্যাকেজের কাজ শেষ করা হয়েছে। প্রকল্পের শুরু থেকে টেন্ডার জটিলতার কারণে গ্যাঁড়াকলে পড়ে ড্রেজিংয়ের কাজ।

পাউবো সূত্র জানায়, ২০১৮ সালের ৯ অক্টোবর প্রকল্পটি একনেক সভায় অনুমোদন পায়। নভেম্বরে জিও অনুমোদন হয়।  কর্ণফুলী নদীর উভয় তীরে সাত কিলোমিটার প্রতিরক্ষা কাজ করা হবে। এরমধ্যে রয়েছে বোয়ালখালীর চরণদ্বীপ ঘাটিয়ালপাড়া, হরিশচন্দ্র মুন্সিরঘাট, বাঁপুকুর, ভাম্বাঘাট, শেখপাড়া, ভান্ডারজুড়ি ঘাট। এসব এলাকায় এক দশমিক ২ কিলোমিটার প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হবে।

রাঙ্গুনীয়া উপজেলার বেতাগী, কাটাখাল, বড়–য়াপাড়া, শরণখোলা, কাঙালিশাহ মাজার, বাচা ফকির মাজার, শফরভাটা গোডাউন ব্রিজ এলাকায় এক দশমিক ৫ কিলোমিটার প্রতিরক্ষা বাঁধ। এছাড়াও সাদেক ব্রিজ, গোয়াজপাড়া, দ্বৈবকানন্দন, মুরাদনগর, ওমেন কলেজ, নোয়াখাল, মিনাপাড়া, বটতল, হিন্দুপাড়া এলাকায় দুই কিলোমিটারের বেশি এলাকায় প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হবে।

কাপ্তাই এলাকার চিৎমরম, শিলছড়ি থানা, বিজিবি ক্যাম্প, কাপ্তাই উপজেলা কমপ্লেক্স, স্বাস্থ্য, নারায়নগিরি স্কুল এলাকায় দশমিক ৯৫ কিলোমিটার এলাকায় প্রতিরক্ষা নির্মাণ করা হবে।

ড্রেজিং : কর্ণফুলী ও ঈছামতি নদীর ১৬ কিলোমিটার এলাকা ড্রেজিং করা হবে। কাপ্তাই উপজেলার চন্দ্রঘোনা ফেরিঘাট থেকে নাজিরচর এলাকা পর্যন্ত ড্রেজিং করা হবে।

পূর্বকোণ/এএ

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 99 People

সম্পর্কিত পোস্ট