চট্টগ্রাম শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২০

সর্বশেষ:

২৪ অক্টোবর, ২০২০ | ১:৩৫ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

চমেক হাসপাতালকে ঢেলে সাজাতে একগুচ্ছ পরিকল্পনা

চমেক হাসপাতালকে আরও আধুনিকভাবে গড়ে তুলতে একগুচ্ছ পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। তাতে হাসপাতালের পরিধি, শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি, জনবল সংকট নিরসনসহ উন্নয়নমূলক নানান পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

গতকাল শুক্রবার রাতে নগরীর দুই নম্বর গেটস্থ চশমাহিলে হাসপাতাল পরিচালনা সভাপতি ও শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের সাথে মতবিনিময় সভায় এসব নিয়ে আলোচনা করা হয়। চমেক হাসপাতালের বিভাগীয় প্রধানদের সাথে এ মতবিনিময়ের আয়োজন করা হয়। যাতে চমেক হাসপাতাল ছাড়াও জেনারেল হাসপাতাল ও সিভিল সার্জন এবং বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকও উপস্থিত ছিলেন। একই সাথে আগত চিকিৎসকদের জন্য নগর আ. লীগের অবিসংবাদিত নেতা এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর ঘরে চিকিৎসকদের জন্য আয়োজন করা হয় দশ পদের খাবারও।

উপস্থিত থাকা এক চিকিৎসক বলেন, ‘দশ পদের খাবার দিয়ে নৈশভোজের আয়োজন করেন উপমন্ত্রী। তারমধ্যে কাচ্ছি, পোলাও, ইলিশ, রুই, গরু, খাসি, ড্রেজার্টের আয়োজন ছিল।’

এর আগে গত ১৯ অক্টোবর চিঠি দিয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এবং জেনারেল হাসপাতালের পরিচালক-তত্ত্বাবধায়কসহ সকল বিভাগীয় প্রধানদের নিয়ে নিজ বাসায় আমন্ত্রণ জানান শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত থাকা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. শামীম হাসান পূর্বকোণকে বলেন, ‘হাসপাতাল পরিচালনা কমিটির সভাপতি মনোনীত হওয়ার পর চমেকের কারও সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ হয়নি। তাই উনার বাসায় সকলকে দাওয়াত দিয়েছেন। মতবিনিময়ের মতোই সকল বিভাগীয় প্রধানরা তাদের সমস্যার কথাগুলো তুলে ধরেছেন। একই সাথে মানউন্নয়নের বিষয়েও আলোচনা হয় বৈঠকে।’

সমস্যা ও মান উন্নয়নের মধ্যে হাসপাতালের জনবল সংকট নিরসন, পরিধি বাড়ানো, শয্যার সংখ্যা বৃদ্ধিসহ হাসপাতালে পরিকল্পিতভাবে আরও আধুনিক কিভাবে করা যায় সে বিষয়েও আলোচনা হয় বৈঠকে।

চমেক হাসপাতালের এক বিভাগীয় প্রধান পূর্বকোণকে এমনটি জানিয়ে আরও বলেন, ‘হাসপাতালে সেবার মান উন্নয়ন, বিদ্যমান সমস্যা সমাধান, ওয়ার্ডগুলোকে কিভাবে আরও উন্নত করা যায় সে বিষয়ে কথা বলা হয়। এ বিষয়ে সরকারের একগুচ্ছ পরিকল্পনার কথাও তিনি বলেছেন। তবে এটি মূলত সবার সাথে পরিচিতি হওয়ার জন্যই এমন আয়োজন করা হয়।’

বৈঠকে উপস্থিত থাকা চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন পূর্বকোণকে বলেন, ‘হাসপাতালের সমস্যা নিরসনেই আলোচনা হয়। এর বাইরে পৃথক ক্যান্সার ইউনিট, নতুন নতুন ওয়ার্ড সৃষ্টিসহ নানাবিধ বিষয়ে আলোচনা করা হয়। একই সাথে হাসপাতালের আশপাশে থাকা দোকানপাট বেশি, তা পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলার বিষয়েও আলোচনা হয়।’

এর আগে ২০ সেপ্টেম্বর হাসপাতাল পরিচালনা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও স্ব-শরীরে উপস্থিত ছিলেন না শিক্ষা উপমন্ত্রী নওফেল। ঢাকা থেকে জুমের মাধ্যমে তিনি যুক্ত ছিলেন। পরিচালনা কমিটির সভাপতি হওয়ার পর হাসপাতালের বিভাগীয় প্রধানদের সাথে এটাই তাঁর প্রথম সভা।

পূর্বকোণ/এএ

শেয়ার করুন
  • 144
    Shares
The Post Viewed By: 140 People

সম্পর্কিত পোস্ট