চট্টগ্রাম বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২০

১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০ | ১:৪৪ অপরাহ্ণ

নিজস্ব সংবাদদাতা, চন্দনাইশ

লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যস্ত কৃষক

চলতি মৌসুমে পর্যাপ্ত পরিমাণে বৃষ্টিপাত হওয়ায় চন্দনাইশের বিভিন্ন বিলের শেষপর্যায়ে আমন ধানের চারা রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা। করোনাভাইরাস পরবর্তী সময়ে সংসারের অভাব ঘুচাতে আমন ধান রোপণে আগ্রহ দেখাচ্ছে তারা।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার ২টি পৌরসভা ও ৮টি ইউনিয়নের সবকটি বিলে পুরোদমে চলছে আমন ধানের চাষাবাদ। ভারি বর্ষণ আর অমাবস্যার জোয়ারের পানিতে সাঙ্গু ও চানখালির অববাহিকায় দু’নদীর উভয়পাশে প্রতিবছরের ন্যায় চলতি মৌসুমে চলছে বিভিন্ন জাতের আমন ধানের চাষ।
করোনাভাইরাসের প্রভাব কমে যাওয়ায় মানুষের জীবনযাত্রা স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আর ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টায় চাঙা হচ্ছে কৃষক। আমন রোপণের কাজে এখন ব্যস্তসময় পার করছেন তারা। কৃষক জরি আহমদ, মনির আহমদ, আবদুল আজিজ, কমল দাশ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনানুসারে কোন ধানি জমি যেন খালি না থাকে, সেই লক্ষ্যে চলতি মৌসুমে উপজেলার কৃষকেরা পুরোদমে মাঠে নেমে পড়েছেন। বিগত সময়ের ক্ষতি পুষিয়ে চলতি মৌসুমে আমন ধান রোপণে কৃষকেরা অতিউৎসাহী হয়ে উঠেছে বিগত সময়ে ধানের দাম ভাল পাওয়ায়। সরকারিভাবে ন্যায্যমূল্যে কৃষকেরা ধান বিক্রি করে লাভবান হয়েছেন। তাই চলতি মৌসুমে কৃষকদের মাঝে চাষাবাদে আগ্রহ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
কৃষক জাহাঙ্গীর আলম, মাসুদ আহমদ, নজরুল ইসলামসহ কয়েকজন প্রান্তিক কৃষকরা জানান, চন্দনাইশ পৌর এলাকার আড়ালিয়া, চাম্বার বিল, সুচিয়া, হারলা বিলে পাওয়ার টিলার দিয়ে চাষাবাদে অতিরিক্ত টাকা দাবি করার অভিযোগ করেছেন। আড়ালিয়ার প্রতি কানি (৪০ শতক) জমিতে ৩ চাষে ১ হাজার ৫’শ টাকা। অপরদিকে পার্শ্ববর্তী চাম্বারবিলে প্রতি কানি ২ হাজার টাকা আদায় করায় কৃষকদের মাঝে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। তাছাড়া সময়মতো জমিতে চাষ না দেয়ায় ধানি জমি চাষাবাদে উর্বরতা হারাচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষক।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা স্মৃতি রানী সরকার বলেন, চলতি মৌসুমে প্রায় ৮ হাজার ১৮০ হেক্টর জমির আমন ধানের চাষাবাদের জন্য লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হয়। আশা করি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হবে। এতে রয়েছে ৫শ’ হেক্টরে হাইব্রিড, ৩’শ স্থানীয় জাতের ও অবশিষ্ট জমিতে উচ্চ ফলনশীল জাতের উফশী চাষাবাদ হচ্ছে বলে তিনি জানান।

পূর্বকোণ/এএ

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 70 People

সম্পর্কিত পোস্ট