চট্টগ্রাম বৃহষ্পতিবার, ০১ অক্টোবর, ২০২০

শাপলায় মুগ্ধতা, শাপলায় স্বাবলম্বী
শাপলায় মুগ্ধতা, শাপলায় স্বাবলম্বী

৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০ | ১:৫৯ অপরাহ্ণ

মরিয়ম জাহান মুন্নী

শাপলায় মুগ্ধতা, শাপলায় স্বাবলম্বী

ফুলে ফুলে সেজে উঠেছে ছোট ছোট ডোবাগুলো। লাল-সাদা রঙের শাপলা ফুলটি এক দেখায় নজর কাড়ে যে কারোই। পাশ দিয়ে হেঁটে যেতে থমকে দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ তাকাতে বাধ্য করে পথিককেও। তাই চাইলেও ছবি তোলার লোভ সামলানো যায় না। কিছু তরুণকে দাঁড়িয়ে ছবি তুলতেও দেখা যায়। শহরের মধ্যে এমন একটা দৃশ্য সত্যিই নজর কাড়ে সবার। এ যেন শহরের মধ্যে টুকরো টুকরো শাপলার বিল। গতকাল শুক্রবার সরেজমিনে নগরীর সাগরিকা, অলংকার ও পশ্চিম হালিশহর এলাকার কিছু জায়গায় ছোট ছোট ডোবায় জাতীয় ফুল শাপলার চাষ করতে দেখা যায়। শহরের মধ্যেই গ্রাম্য পরিবেশে কিছু খালি জায়গায় শাপলার চাষ নজর কাড়ছে অনেকের। সাগরের কিনারে ও শহরের মধ্যে নিচু জায়গা হওয়ায় এ জায়গাগুলোতে বর্ষাকালে পানি জমে থাকে। আবার এ সময় শাপলা চাষের জন্য উপযুক্ত সময়ও। তাই মিন্টু, রাজু ও কাশেম মিয়ার মত কিছু মানুষ এখানে বর্ষাকালে শাপলা চাষ করেন।

মো. রাজন নামের একজনকে দুপুরের দিকে ডোবা থেকে শাপলা তুলতে দেখা যায়। তিনি জানান, এখান থেকে শাপলা নিয়ে বাজারে বিক্রি করি। আমি অলংকার বিভিন্ন বাজারেও শাপলা বিক্রি করি। এছাড়া কিছু বিক্রেতা আমাদের থেকে কিনে নিয়ে যায়।

মো. আকতার হোসেন মিন্টু বলেন, মূলত জায়গাগুলো অন্যের। খালি পড়ে আছে। বর্ষাকালে বৃষ্টির পানিও জমে থাকে এখানে। তাই আমরা জায়গার মালিকদের থেকে কয়েক বছরের জন্য নিয়ে নিই। সে কয়েক মাস আমরা এ খালি জায়গাগুলোতে মৌসুমি সবজির চাষ করি। বর্ষাকালে তো এগুলোতে পানি জমে থাকে। এসময় কোনো সবজি চাষ করা যায় না। তাই বর্ষাকালে এখানে শাপলার চাষ করি।
কাশেম মিয়া বলেন, আমার বাড়ি বরিশালের সাতলা। শাপলার জন্য বাংলাদেশের মধ্যে বিখ্যাত বরিশালের সাতলা। আমি সেখানের বীজ দিয়েই চাষ করি। আমি সাগরিকার দিকে কিছু খালি ডোবায় বর্ষাকালে শাপলার চাষ করি। বাজারে এক আঁটি শাপলা ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি করি।
পূর্বকোণ/এএ

শেয়ার করুন
  • 50
    Shares
The Post Viewed By: 88 People

সম্পর্কিত পোস্ট