চট্টগ্রাম শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২০

সর্বশেষ:

১ সেপ্টেম্বর, ২০২০ | ১:৫৮ অপরাহ্ণ

ইফতেখারুল ইসলাম

আর মাত্র ১৫৫ দিন : ৭ খাতকে গুরুত্ব দিয়ে সুজনের পরিকল্পনা

সাত খাতকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে আগামী ১৫৫ দিন দায়িত্ব পালনের কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) নবনিযুক্ত প্রশাসক আলহাজ মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন। খাতসমূহের মধ্যে প্রথম অগ্রাধিকার দিয়েছেন রাস্তাঘাট চলাচল উপযোগী রাখা। দ্বিতীয় খাতটি হল পরিচ্ছন্নতা। তৃতীয় নম্বরে সড়কবাতিকে রেখেছেন তিনি। চতুর্থ নম্বরে রয়েছে অফিসে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, দুর্নীতি এবং স্বজনপ্রীতি বন্ধ করা। স্বাস্থ্য খাতের উন্নতি এবং বিভিন্ন সংস্থার সাথে দ্বন্দ্ব মিটিয়ে ফেলা।

চসিক প্রশাসক দায়িত্ব নিয়েই তিনি বলেছিলেন, অন্তত তিন সপ্তাহ তিনি চসিকের বিভিন্ন দিক নিয়ে স্টাডি করে কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করবেন। গতকাল ছিল তার দায়িত্ব নেয়ার ২৫তম দিন। ইতোমধ্যে তিনি মন্ত্রণালয়ে গিয়েও সাক্ষাত করে এসেছেন। হাতে আছে আর মাত্র ১৫৫ দিন। এই সময়ে তিনি কিভাবে কাজ করবেন, কোন খাতকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেবেন এসব বিষয় নিয়ে পূর্বকোণের সাথে একান্ত আলাপে কর্মপরিকল্পনার নানা দিক তুলে ধরেছেন।

চসিক প্রশাসক বলেন, স্ট্যান্ড রোডের প্রকল্পটি দীর্ঘদিন আটকে ছিল। এখন জাইকা অনুমোদন দিয়েছে। কাজ করতে আর বাধা নেই। পোর্ট কানেকটিং (পিসি) রোডের অবস্থা খুবই খারাপ। ঠিকাদারকে কড়া নির্দেশনা দিয়েছি। চারদিন করে কাজের রোস্টার করে দিয়েছি। চারদিন পরপর কাজের অগ্রগতি দেখব। ২০ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করবো এই প্রকল্পের ঠিকাদারকে রাখব কি রাখবনা। কথা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ২৫ দিন অহিবাহিত হলেও মাত্র ১০ দিন অফিস করেছি। চসিকের সংকট এখনো কাটেনি। এই সংস্থার দেনা একটি বড় সংকট। তারচেয়েও বড় সংকট অনিয়ম। অনিয়ম বন্ধে কিছু পদক্ষেপ নিয়েছি। সেপ্টেম্বরে কিছু দৃশ্যমান পরিবর্তন দেখা যাবে উল্লেখ করে বলেন, স্বাস্থ্য খাতও নিয়ে তিনি কাজ শুরু করেছেন। স্বাস্থ্যখাতে জননেতা মহিউদ্দিন চৌধুরীর আমলে যে জৌলুস ছিল তা তিনি ফিরিয়ে আনতে পদক্ষেপ নিচ্ছেন।

পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মীদের এখন অন্তত রাস্তায় দেখা যায় উল্লেখ করে বলেন, তাদের কাজের গতি বাড়াতে হবে। শহরকে অবশ্যই পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
কথা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে দ্বন্দ্ব থাকলে উন্নয়নে কাজে বিঘ্ন ঘটে। সমন্বয়হীনতার পরিবেশ সৃষ্টি হয়। তাই তিনি কারো সাথে দ্বন্দ্ব রাখতে চান না। দ্বন্দ্ব মিটিয়ে ফেলার প্রথম উদ্যোগ নিয়েছেন পাঁচলাইশ জাতিসংঘ পার্ক নিয়ে। এটি দীর্ঘ দিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। তাই গৃহায়ণ ও গণপূর্ত বিভাগকে বলেছি তারা যেন, পার্কটির উন্নয়ন করে রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সিটি কর্পোরেশনকে হস্তান্তর করে। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত একটি সরকারি সংস্থা। তারা যদি পার্কটির উন্নয়ন করে তাতে কারো কোন ক্ষতি নেই। বরং কাজটি দ্রুত শেষ হলে এলাকাবাসী পার্কে গিয়ে কিছুটা সময় কাটানোর সুযোগ পাবে। সৌন্দর্যবর্ধনের নামে কোন পার্কে দোকান নির্মাণ করতে চাই না।
পূর্বকোণ/এএ

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 143 People

সম্পর্কিত পোস্ট