চট্টগ্রাম মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০

নারায়ণহাটে ইউপি মেম্বারের বিরুদ্ধে ত্রিপুরা মহিলাকে হয়রানির অভিযোগ
লামায় মাতৃত্বকালীন ভাতা অন্যজনের উত্তোলনের অভিযোগ

২৬ আগস্ট, ২০২০ | ৫:৫০ অপরাহ্ণ

ফটিকছড়ি সংবাদদাতা

নারায়ণহাটে ইউপি মেম্বারের বিরুদ্ধে ত্রিপুরা মহিলাকে হয়রানির অভিযোগ

ফটিকছড়ি উপজেলার নারায়ণহাট ইউপি মেম্বারের বিরুদ্ধে কসমতি ত্রিপুরা নামে এক উপজাতি মহিলাকে মারধরসহ নানা হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এব্যাপারে উক্ত মহিলা বাদি হয়ে নারায়ণহাট ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের সদস্য মো. আবুল মনসুর মুসার বিরুদ্ধে ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। কসমতি ত্রিপুরা নারায়ণহাট ইউনিয়নের পশ্চিম চাঁন্দপুর হরিনমারা গ্রামের মৃত কর্ণরাম ত্রীপুরার মেয়ে।
লিখিত অভিযোগে জানা গেছে, মুসা মেম্বার উক্ত মহিলাকে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে মাসিক ৩০ কেজি করে চাউলের একটি কার্ড করিয়ে দেন। যার প্রথম ৮ মাস দিলেও পরে মুসা মেম্বার মহিলার থেকে বিভিন্ন স্ট্যাম্পে সাক্ষর নিলেও আর কোন চাল দেয়া হয়নি। পূর্ব থেকে মহিলার স্বামী না থাকায় মুসা মেম্বার তাকে নানাভাবে নির্যাতন তথা যৌন হয়রানি করে আসছে। সর্বশেষ চলতি মাসের ১৫ তারিখ বিকেল ৫ টায় উক্ত মহিলা মেয়েকে নিয়ে নারায়ণহাট বাজার হতে বাড়ি যাওয়ার পথে হরিণমারা রুহুল আমিনের দোকানের দক্ষিণ পার্শ্বে মোটর সাইকেল থামিয়ে তাকে বেদম মারধর করে। এছাড়াও মেম্বার কর্তৃক ইতোপূর্বেও কসমতি ত্রিপুরাকে আরো নানাভাবে হয়রানি করেছে বলে অভিযোগ বলা হয়।

এবিষয়ে জানতে চাইলে ইউপি সদস্য আবুল মনসুর মুছা বলেন, ‘এসব কিছু চেয়ারম্যানের যোগসাজশে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে নারায়ণহাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. হারুন বলেন, বিষয়টি আমি শুনার পর মেম্বার মুসাকে পরিষদে ডেকে কয়েকবার বারণ করেছি। কিন্তু এরপরও সে আমার নিষেধ শুনেনি। বিষয়টি যেহেতু উপজেলা নির্বাহী অফিসার পর্যন্ত গড়িয়েছে তাই সে বিষয়ে আমি কোন মন্তব্য করতে চাইনা।’
এব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.সায়েদুল আরেফিন বলেন, বিষয়টির ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। শিক্ষা অফিসারকে বিষয়টা তদন্তের জন্য দিয়েছি। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।
পূর্বকোণ/বিশ্বজিৎ-এএ

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 77 People

সম্পর্কিত পোস্ট