চট্টগ্রাম সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০

সর্বশেষ:

চমেক ছাত্রাবাসে হামলার ঘটনায় ২৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা

২৪ আগস্ট, ২০২০ | ৫:৩৬ অপরাহ্ণ

অনলাইন ডেস্ক

চমেক ছাত্রাবাসে হামলার ঘটনায় ২৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ছাত্রাবাসে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় আরও একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় হাসপাতালের ১১ জন ইন্টার্ন চিকিৎসকসহ ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িত ২৬ জনকে আসামি করা হয়।

আজ সোমবার (২৪ আগস্ট) চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম সফিউদ্দিনের আদালতে মামলাটি দায়ের করেছেন হামলায় আহত চমেকের ডেন্টাল বিভাগের শিক্ষার্থী শাওন দত্ত।

অভিযুক্তরা সবাই চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। আর মামলার বাদি শাওন দত্ত শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।

আদালত মামলা গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানা যায়।

মামলায় অভিযুক্ত ১১ জন ইন্টার্ন চিকিৎসক হলেন— চমেক ছাত্রলীগের সভাপতি পরিচয়দানকারী হাবিবুর রহমান, চমেক ছাত্র সংসদের সহসভাপতি (ভিপি) পরিচয়দানকারী এম এ আউয়াল রাফি এবং ইন্টার্ন ডক্টরস এসোসিয়েশনের তাজওয়ার রহমান অয়ন, ওসমান গণি, ইমতিয়াজ উদ্দিন মানিক, মাসুম বিল্লাহ মাহিন, ফয়সাল আহমেদ, আসিফ মানজুম রিফাত, অতন্দ্র আকাশ, নুর মোহাম্মদ তানজিম ও এ এল এন এস শাহরিয়ার।

এছাড়া অভিযুক্তদের তালিকায় বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আছেন— চমেক ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পরিচয়দানকারী আল আমিন ইসলাম শিমুল এবং ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িত শোয়াইদ আলী খান, রাহাত জামান, সানি হাসনাইন প্রান্তিক, মাহাদী বিন হাশিম, এম এ কাইয়ূম ইমন, মিনহাজ আবরান লিমন, হাবিবুল ইসলাম, মঈদ সাকিব, আহমেদ ফয়সল, এস এম জিয়াউদ্দিন, সাহেদ কামাল, এইচ আর মাহফুজুর রহমান, আহসানুল করিম মঞ্জুরুল ও অনির্বাণ দে।

মামলায় বলা হয়, গত ১৩ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচি নিয়ে চমেক ছাত্রাবাসের লবিতে একদল শিক্ষার্থী বৈঠক করছিলেন। এরপর দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ ছাত্রাবাসে তারা নিজ নিজ কক্ষে গিয়ে তাদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে ফিরে যাচ্ছিলেন। লবিতে আসার পর তাদের ওপর হাবিবুর রহমান ও আল আমিন ইসলাম শিমুলের নেতৃত্বে ৩০-৩৫ জন অতর্কিতে হামলা করে। এতে শাওনসহ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়ে চমেক হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।

হামলার পর রাতে পাল্টা হামলার অভিযোগে ১৪ আগস্ট সকাল থেকে চমেক হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা সেবা বন্ধ করে দেন। নগরীর চকবাজার থানায় একটি মামলা দায়েরের পর নওফেলের অনুসারী ১১ শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নেন।

এর আগে, গত ১২ জুলাই চমেক ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে মারামারিতে কমপক্ষে ১৩ জন আহত হন। এরপর নওফেলের অনুসারী চমেক ছাত্রলীগের নেতা খোরশেদুল আলম বাদী হয়ে ১১ চিকিৎসকসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে পাঁচলাইশ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছিলেন।
পূর্বকোণ/এএ

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 119 People

সম্পর্কিত পোস্ট