চট্টগ্রাম সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০

সড়ক ভেঙে খান খান

২০ আগস্ট, ২০২০ | ২:০৫ অপরাহ্ণ

সেকান্দর আলম বাবর, বোয়ালখালী

ওয়াসার ভাণ্ডালজুরি প্রকল্পের প্রভাব

সড়ক ভেঙে খান খান

বোয়ালখালীর জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক আলী আহমদ কমিশনার সড়ক। এটি সওজ’র হলেও সড়কটির মালিক এলজিইডি। মূলত, হালকা ও মাঝারি গাড়ি চলাচলে উপযোগী করে সড়কটি নির্মাণ করে এলজিইডি। কিন্তু গতবছর থেকে শুরু হয় ওয়াসার জ্যৈষ্ঠপুরা ভাণ্ডালজুরি প্রকল্পের কাজ। এতে ওয়াসার নির্মাণ সামগ্রীর ভারী গাড়ি চলাচলে ভেঙে খানখান ও চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়েছে সড়কটি।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলা সদর হয়ে মূল হাওলা কানুনগোপাড়া সড়কের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিকল্প সড়ক এটি। প্রায় ২৫ ফুট চওড়া, ২৩ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটির অলি বেকারি থেকে সৈয়দপুর গোরস্থানের টেকের প্রায় স্থানেই বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। একটু বৃষ্টি হলেই সেখানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। কোথাও কোথাও সড়কে জমে থাকা পানি নামতে না পারায় যানবাহন চলাচলের সময় পানিতে ঢেউ খেলে এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে।

সিএনজিচালিত ট্যাক্সি ও টেম্পো চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে এ খাদের কারণে। ওয়াসার বড় বড় ট্রাকগুলো হেলে দুলে চলতে গিয়ে প্রতিনিয়ত আটকে যাচ্ছে। যেকোন সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। যানবাহনের মতো লোকজনের চলাফেরাও কষ্টকর হয়ে পড়েছে। উপজেলার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রায় মানুষ এ সড়ক ব্যবহার করে প্রতিদিন পৌর সদর ও শহরে আসা যাওয়া করে। সড়কটির বেহাল অবস্থা হওয়ায় স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীর পাশাপাশি সাধারণ জনগণ প্রতিদিন দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।

জানতে চাইলে স্থানীয় চেয়ারম্যান এসএম জসিম উদ্দিন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আলী আহমদ কমিশনার সড়কের আমার ইউনিয়নের অংশটির বেহাল দশা হয়েছে। প্রতিদিন লোকজন গালাগাল করছে জনপ্রতিনিধিদের। কানুনগোপাড়া সড়ক সংস্কার কাজের জন্য বন্ধ হওয়াতে ওয়াসার ভারী যানবাহন চলাচলের চাপ পড়েছে এ সড়কের ওপর। এতে যা হওয়ার তা-ই হয়েছে। তিনি বলেন, স্থানীয় এমপি মোছলেম উদ্দিন আহমদ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনায় নিয়েছেন। অচিরেই এর কাজ করতে পারব বলে আশা করি।
এ ব্যাপারে উপজেলা উপ-সহকারী প্রকৌশলী আ.স.ম রাশেদুল আহসান বলেন, সড়কটি খুবই জনগুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে এটি চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। জিওবি মেইনটেনেন্সের আওতায় এটি সংস্কার করার চেষ্টা করছি। এ ব্যাপারে কাজ চলমান রয়েছে। টেন্ডারসহ যাবতীয় কাজ সম্পন্ন হলে এ বছরের নভেম্বরে কাজ আরম্ভ হবে। এতে বাজেট ধরা হয়েছে ১ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা প্রায়। প্রাথমিকভাবে অলি বেকারি থেকে খাজা গরীবে নেওয়াজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত সংস্কার করা হবে। বাকিটা পরের প্রকল্পে মেরামত হবে।

পূর্বকোণ/এএ

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 95 People

সম্পর্কিত পোস্ট