চট্টগ্রাম শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০

মুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন না করায় মানববন্ধন, তদন্তে অতিঃ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
মুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন না করায় মানববন্ধন, তদন্তে অতিঃ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট

২৮ জুলাই, ২০২০ | ৬:০২ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

মুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন না করায় মানববন্ধন, তদন্তে অতিঃ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের শ্রমবিষয়ক সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা ডা. আলী আশরাফের জানাজায় রাষ্ট্রীয় সম্মান না দেয়ার প্রতিবাদে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও সন্তান কমান্ডের মানববন্ধন করেছে। আজ মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে গঠিত তদন্ত কমিটির সদস্য চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. বদিউল আলম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং ঘটনাস্থলে উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে কথা বলেছেন। পরে তিনি পুইছড়ি মুক্তিযোদ্ধা আশরাফের কবরস্থান ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান।

এদিকে, উপজেলা পরিষদের সামনে দুপুর দেড়টার দিকে প্রধান সড়কে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে বাঁশখালী মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও সন্তান কমান্ড। মানববন্ধনে ৪০ জন মুক্তিযোদ্ধা ও দেড় শতাধিক পরিবারের সদস্য অংশগ্রহণ করেন।

প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার (অর্থ) মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক, বাঁশখালী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার আবুল হাশেম মানিক, জসিম উদ্দিন, মরহুম মুক্তিযোদ্ধা আলী আশরাফের বড় সন্তান জয়নাল আবেদীন, মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম ভেদু, মুক্তিযোদ্ধা সরওয়ার আলম, জয়নাল আবেদীন প্রমুখ।

উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার আবুল হাশেম মানিক বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করা হয়েছে। প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের কাছে আমরা মুক্তিযোদ্ধারা কখনো এই ধরনের আশা করিনি। তদন্তপূর্বক ব্যবস্থার দাবি জানাচ্ছি।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার (অর্থ) মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক মানববন্ধনে বলেন, বাঁশখালীতে মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। কেউ কেউ মুক্তিযোদ্ধানের নিয়ে ষড়যন্ত্র করতে চায়। বিভিন্ন জায়গায় বাঁশখালীতে মুক্তিযোদ্ধা নেই বলে দাবী করছে। আমি তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই দেশে টাঙ্গাইলের পর বাঁশখালী মুক্তিযোদ্ধারা চট্টগ্রামে ভূমিকা রেখেছে। তৎ সময় গাদা বন্দুক দিয়ে যুদ্ধ করেছিলাম। কেউ কেউ মনে করেতেছে আমরা দুর্বল হয়ে গেছি। ধাক্কা দিয়ে দেখেন সরাতে পারবেন না। সাহস কমেছে বলে করবেন না। আমরা বিলীন হয়নি। তিনি তদন্ত কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, তদন্তে বাস্তব বিষয় উঠে আসতে হবে। না হয় আমরা আন্দোলন করবো। ঘটনায় যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে না হয় আমরা আইনের আশ্রয় নিবো। ঘটনার সময় আমি ছিলাম। আপনারা মিথ্যার উপর ভর করবেন না। এখন নানা অজুহাত তোলা হচ্ছে।

তদন্ত সর্ম্পকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোমেনা আক্তারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, স্যার আসছেন, বিভিন্ন বিষয় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন এবং ঘটনাস্থল গিয়ে পরিবারের সদস্যদের কাছে কথা বলেছেন। তিনি এখনো ঘটনাস্থলে আছেন।

 

 

 

 

 

পূর্বকোণ/অনুপম-আরপি

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 117 People

সম্পর্কিত পোস্ট