চট্টগ্রাম বৃহষ্পতিবার, ০৩ ডিসেম্বর, ২০২০

২৬ জুলাই, ২০২০ | ১২:৫৬ অপরাহ্ণ

নওশের আলী খান

পাসপোর্ট অফিসে নেই সেই দীর্ঘ লাইন

আগের সেই দীর্ঘ লাইন কিংবা শোরচিৎকার নেই। হাতে গানা ১৭/১৮ জন লোক লাইনে দাঁড়িয়ে। দূরত্ব বজায় রাখার কারণে যদিও লাইনটা একটু দীর্ঘ। মনসুরাবাদ বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসের ২২ জুলাই দুপুর ১২টার চিত্র এটি। করোনা সতর্কতা হিসাবে পাসপোর্ট অফিসে স্থাপন করা হয়েছে জীবাণুনাশক চেম্বার ও হাত ধোয়ার বেসিন। এরপরও রেহাই মিলেনি করোনা থেকে। এরইমধ্যে পাসপোর্ট কার্যালয়ের দুইজন কর্মচারী করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। কিন্তু বন্ধ নেই পাসপোর্টের কার্যক্রম। তবে নতুন পাসপোর্ট প্রদান করা হচ্ছে না। শুধু পাসপোর্ট নবায়নের কাজ চলছে।

জানা গেছে, বর্তমানে পাসপোর্ট ডেলিভারি সেকশনের এক কর্মচারী ও একজন পিয়ন করোনা আক্রান্ত। করোনার প্রকোপ শেষ না হওয়া পর্যন্ত নতুন পাসপোর্টের আবেদন গ্রহণের সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আবু সাঈদ। কারণ হিসাবে তিনি ঊল্লেখ করেন, নতুন পাসপোর্টের জন্য দিনে আবেদন জমা হয় গড়ে সাড়ে চারশ। এতগুলো লোকের আঙ্গুলের ছাপ ও ছবি তোলার সময় কারো যদি করোনাভাইরাস থাকে তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্মচারী ও অনেক আবেদনকারী আক্রান্ত হওয়ার সমূহ আশংকা রয়েছে। এজন্য সরকার সারাদেশের সব পাসপোর্ট অফিসে নতুন পাসপোর্টের আবেদন গ্রহণ বন্ধ রেখেছে।

উপ-পরিচালক জানান, বর্তমানে পুরাতন পাসপোর্টের যেগুলোর মেয়াদ ৬ মাসের কম সেগুলো নবায়ন করা হচ্ছে। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে (মানবিক কারণে) ছয় মাসের অধিক মেয়াদ থাকলেও তা নবায়নের সুযোগ দেয়া হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, নবায়ন ছাড়া পাসপোর্টে নাম ও ঠিকানা সংক্রান্ত সমস্যা থাকলে সেই আবেদনও গ্রহণ করা হচ্ছে।
বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিস সূত্র জানায়, পাসপোর্টের আবেদন ফরম জমা গ্রহণ থেকে ডেলিভারি প্রদান পর্যন্ত ১৩টি ধাপ রয়েছে। স্বাভাবিক সময়ে দৈনিক চারশ থেকে পাঁচশ আবেদনের জন্য ৬০ থেকে ৭০ জন লোক প্রয়োজন। অর্গানোগ্রাম আছে ৩০ জন লোকবলের। বর্তমানে লোক রয়েছে ২২ জন। ঊল্লেখ্য, বর্তমানে দেশে পাসপোর্টে অফিসের সংখ্যা ৬৯টি। ২০১০ সালে ছিল মাত্র ১৫টি।

পূর্বকোণ/এএ

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 268 People

সম্পর্কিত পোস্ট