চট্টগ্রাম শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২০

নকল-ভেজাল স্বাস্থ্য সামগ্রী বিক্রি: অর্থদণ্ডসহ মালিকের ৬ মাসের কারাদণ্ড

২৯ জুন, ২০২০ | ৮:৪৫ অপরাহ্ণ

নকল-ভেজাল স্বাস্থ্য সামগ্রী বিক্রি: অর্থদণ্ডসহ মালিকের ৬ মাসের কারাদণ্ড

নগরীর দেওয়ান হাটের মধ্যম সুপারিওয়ালাপাড়া এলাকার এক কারখানার মালিককে ৬ মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজ সোমবার (২৯ জুন) দুপুর ১২টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ‘এ আর চট্টলা কেমিক্যাল’ নামের কারখানার মালিক মো. রাশেদকে নকল সুরক্ষা দ্রব্য বানানোর দায়ে এ দণ্ড দেয়া হয়৷ এ সময় ২০ লাখ টাকার ক্ষতিকর নকল ও ভেজাল দ্রব্য জব্দ করে  কারখানাটি সিলগালা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. উমর ফারুক।

নকল-ভেজাল স্বাস্থ্য সামগ্রী বিক্রি: অর্থদণ্ডসহ মালিকের ৬ মাসের কারাদণ্ড

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. উমর ফারুক জানান, অভিযান পরিচালনাকালে এ.আর চট্টলা কেমিক্যাল নামের কারখানায় সরেজমিনে দেখা যায়, বিভিন্ন সুরক্ষাসামগ্রী বানাতে ক্ষতিকর কেমিক্যাল প্রায় শ’ খানেক ড্রামে রিজার্ভ করে রাখা হয়েছে। রিজার্ভ করা ড্রামগুলো থেকে কারখানার মালিক মো. রাশেদ নিজ হাতে কেমিস্ট ও ল্যাব ছাড়া এগুলো মিশ্রণ করে বোতলজাত করে। পরে মোড়কের মাধ্যমে তার কোম্পানির লেভেল লাগিয়ে চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলায় বাজারজাত করেন। এ ধরনের অপরাধের কারণে এ আর চট্টলা কেমিক্যালের মালিক মো. রাশেদ কে ৬ মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডসহ উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

নকল-ভেজাল স্বাস্থ্য সামগ্রী বিক্রি: অর্থদণ্ডসহ মালিকের ৬ মাসের কারাদণ্ড

তিনি আরও বলেন, এ.আর চট্টলা কেমিক্যাল নামেক প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন নামীদামী ব্রান্ড এর হ্যাক্সিসল নকল করে তৈরি করছিল। আমরা প্রতিষ্ঠানটির খোঁজ শুরু করি কিন্তু তাদের সাইনবোর্ড ও ঠিকানা না থাকায় অবস্থান জানতে কিছুটা বেগ পেতে হয়। ছদ্মবেশে এলাকার মানুষের কাছে খোঁজ নিয়ে জানা যায় বাজারে সয়লাব করা নকল হ্যান্ড সানিটাইজারের মূল কারখানার ঠিকানা। নেই কোন সাইনবোর্ড। গলির ভিতর বড় একটি টিনশেডের বদ্ধঘরে সকল প্রকার মালামাল একত্রে রেখে নিজেদের তৈরি স্যানিটাইজার, স্যাভলন, হারপিকসহ বিভিন্ন সুরক্ষাসামগ্রী বোতলজাত করে বাজারজাত করে আসছে।

ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক হোসাইন মোহাম্মদ ইমরান বলেন, নকল হ্যান্ডরাব, হ্যান্ড স্যানিটাইজার,স্যাভলন ও হারপিক তৈরী করা হচ্ছিল।এগুলোর ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের কোন অনুমোদন নেই। কোন ধরনের ল্যাব টেস্ট করার ব্যবস্থা নেই। খালি বোতল, লেবেল কার্টন নিজেরা বাজার থেকে কিনে রং, ফ্লেভার, স্পিরিট ইত্যাদি মিশ্রিত করে নামীদামী কোম্পানির মতো হুবহু নকল করে আসছিলো যা খুবই ক্ষতিকর।

পূর্বকোণ / আরআর

The Post Viewed By: 103 People

সম্পর্কিত পোস্ট