চট্টগ্রাম শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২০

সর্বশেষ:

চন্দনাইশে ২ দিনে ৫ পুলিশসহ ২৩ জন করোনা রোগী শনাক্ত
চমেক-সিভাসু ল্যাবে ২৪ ঘণ্টায় ১১১ জন করোনা রোগী শনাক্ত

৩০ মে, ২০২০ | ১১:৪৯ পূর্বাহ্ণ

চন্দনাইশ সংবাদাতা

চন্দনাইশে ২ দিনে ৫ পুলিশসহ ২৩ জন করোনা রোগী শনাক্ত

চন্দনাইশ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঈদ পরবর্তী করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। গত ২৯ মে মধ্যরাতে চন্দনাইশে নতুন ১১ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। ফলে চন্দনাইশে ২ দিনে ৫ পুলিশ সদস্যসহ ২৩ জন এবং চন্দনাইশে এ পর্যন্ত ৩৬ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, ২৯ মে রাতের রিপোর্ট অনুযায়ী ইউএসটিসি’র ল্যাব টেকনেশিয়ান আবুল খায়ের (৫৩), তার স্ত্রী স্বাস্থ্য কর্মী খতিজা বেগম (৫০), ছেলে আবু মো. সেলিম (২০), মেয়ে হালিমা খানম (১৬), সাতবাড়িয়ার মঈনুল ইসলাম (৩৭), মনির আহমদ (৩৩, তার স্ত্রী শম্পা ইসলাম (২২), পলিয়া পাড়ার আবু বকর (৪৪), জামিজুরীর মমতাজ বেগম (৬৩), হাশিমপুর মাস্টার বাড়ির মো. রহমান (৩৭), বাইনজুরীর মো. আব্বাস (২৪) সহ ১১ জনের রিপোর্ট পজেটিভ আসে।

একইভাবে গত ২৭ মে চন্দনাইশে ১ এসআই আসাদুজ্জামান শেখ (৫০), কনস্টেবল যথাক্রমে মো. জুবায়ের (২৫), নুরুল হোসেন (৩০), নুর মোহাম্মদ (২৩), চন্দনাইশ সদরের ব্যবসায়ী যথাক্রমে শারিরীক প্রতিবন্ধি নজরুল ইসলাম (৩৪), হাজির পাড়ার মো. হানিফ (৩৩), চন্দনাইশ সদরের আবদুল আজিজ (৩৪), মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপার ভাইজার বিপিন চন্দ্র রায় (৩১), উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ের হিসব রক্ষক সওকত হোসেন শিমুল (৫২), চন্দনাইশ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ফার্মাসিস্ট মঈনুদ্দীন (৩৩), চরবরমার মঞ্জুর মোরশেদ খান (৩৪), বৈলতলীর মিজানুর রহমান (২৮) দের রিপোর্ট পজেটিভ আসায় করোনা রোগী হিসেবে সনাক্ত হয়েছে। বর্তমানে চন্দনাইশ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ১ চিকিৎসক, ৪ পুলিশ সদস্য, ৫ স্বাস্থ্যকর্মীসহ ১২ জন চিকিৎসাধীন রয়েছে। তাছাড়া গত ২৬ মে চন্দনাইশ স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তা ডা. শাহীন হোসাইন চৌধুরী, এর পূর্বে আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আবু রাশেদ, দোহাজারীর ডা. শেখ সাদী’র রিপোর্ট পজেটিভ হওয়ায় তিনি করোনা রোগী হিসেবে সনাক্ত হয়ে হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে। পাশাপাশি তিনি তার দায়িত্বও উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিদের্শে আইসোলেশনে থেকে পালন করবেন বলে জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, গত মার্চ মাসের মাঝামাঝি দেশে করোনা রোগী সনাক্ত হওয়ার পর প্রায় ২ মাসে মাত্র ১১ জন রোগী সনাক্ত হয়। ঈদ পরবর্তী পুলিশ প্রসাশনের কড়াকড়ি কমে যাওয়ায় রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়তে শুরু করেছে। ফলে চন্দনাইশে সাধারণ মানুষের মধ্যে করোনার আতংক ছড়িয়ে পড়েছে।

পূর্বকোণ/পিআর

The Post Viewed By: 200 People

সম্পর্কিত পোস্ট