চট্টগ্রাম শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০

সর্বশেষ:

চট্টগ্রামের লাইফলাইন : কোভিড-১৯ হাসপাতাল

২২ এপ্রিল, ২০২০ | ৫:৩০ পূর্বাহ্ণ

চট্টগ্রামের লাইফলাইন : কোভিড-১৯ হাসপাতাল

প্রস্তুত হচ্ছে বিশেষায়িত পূর্ণাঙ্গ করোনা হাসপাতাল

দেশে করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার প্রায় দেড় মাসের মাথায়ও চট্টগ্রামের আক্রান্ত রোগীরা আইসিইউ ভেন্টিলেটর সাপোর্ট পাচ্ছে না। সরকারি যে দুইটি হাসপাতালে করোনারোগীদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে সেখানে এই সাপোর্ট নেই। নেই চিকিৎসক, নার্স এবং অন্যান্যদের থাকা-খাওয়ার যথাযথ ব্যবস্থা। সংকট রয়েছে পিপিইসহ ভাইরাস প্রতিরোধী ইকুইপমেন্টের।
আলোচ্য এসব সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রামের প্রাইভেট ক্লিনিক ওনার্স এসোসিয়েশন। তাদের অর্থায়নে করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য হলি ক্রিসেন্ট হাসপাতালকে সংস্কার করে করোনা বিশেষায়িত হাসপাতাল তৈরির কাজ চলছে।
হাসপাতাল তৈরির পর করোনা চিকিৎসায় শতভাগ সুফল পেতে হলে বাড়াতে হবে চিকিৎসকদের আত্মবিশ^াস। এজন্য প্রয়োজন চিকিৎসা কর্মীদের পর্যাপ্ত পিপিই সরবরাহসহ শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তাদের থাকা-খাওয়াসহ অন্যান্য সুবিধাও নিশ্চিত করতে হবে। নিজের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা না পেলে চিকিৎসকরা রোগীকে কাছ থেকে চিকিৎসা দেয়ার সাহস পাবেন না। হাসপাতাল তৈরি এবং এর পরিচালনার ক্ষেত্রেও শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। একইসঙ্গে আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতাও নিশ্চিত করতে হবে। অত্যন্ত ব্যয়বহুল এই হাসপাতাল পরিচালনায় প্রয়োজন দক্ষ পরিচালনা পর্ষদ। করোনা মহামারীর এই দুর্যোগে এই হাসপাতালটিই চট্টগ্রামবাসীর লাইফ-লাইন হিসেবে কাজ করবে। মহতী এই উদ্যোগকে শতভাগ সফল করতে বিত্তবানদের এগিয়ে আসার সময় এখনই। পাশাপাশি সরকারের কাছেও আর্থিক সহযোগিতা চাইতে পারেন উদ্যোক্তারা। চট্টগ্রামের সামর্থবানরাও এ কাজের জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল গঠনে এগিয়ে আসতে পারেন।

আলাদা করোনা হাসপাতাল কেন জরুরি :

করোনা ভাইরাস আক্রান্ত সারা বিশে^র রোগীদের নিয়ে ওয়ার্ল্ড মিটার নিয়মিত তথ্য দেয়। তাদের তথ্যে দেখা যায়, সারাবিশে^ যে পরিমাণ রোগী আক্রান্ত হচ্ছে তার মধ্যে তিন থেকে চার শতাংশ রোগীর অবস্থা খুবই জটিল হয়ে যায়। তাদেরকে ভেন্টিলেটর দিতে হয়। বাকি রোগীদের অনেকেই বাসায় চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে যান। আর কাউকে কাউকে হাসপাতালে ভর্তি করাতে হয়। তাদের মধ্যে কারো কারো অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়। তাই হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেনের পাশাপাশি পর্যাপ্ত অক্সিজেনের সিলিন্ডার মজুদ রাখতে হবে।

পূর্ণাঙ্গ করোনা হাসপাতালের জন্য যা দরকার :

একটি পূর্ণাঙ্গ করোনা হাসপাতাল তৈরি করতে প্রথমেই একটি পৃথক জায়গা প্রয়োজন। যেখানে অবকাঠামো থেকে শুরু করে বিশেষায়িত একটি হাসপাতালের সকল সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত শয্যা থাকবে। যাতে কোভিড-১৯ করোনা আক্রান্ত ও সন্দেহভাজন উভয়ই রোগীকেই অন্তর্ভুক্ত করা যাবে। এছাড়া একদল বিশেষজ্ঞ মেডিসিন চিকিৎসক প্রয়োজন। একই সাথে এইচডিইউ, আইসিইউ ও ভেন্টিলেটরের সম্পূর্ণ সুযোগ সুবিধা থাকতে হবে। এসব পরিচালনায় দক্ষ ও বিশেষজ্ঞ কর্মী থাকাটা অত্যন্ত জরুরি। একইসঙ্গে করোনা রোগের চিকিৎসার পাশপাশি অন্যান্য রোগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকও থাকতে হবে। এরমধ্যে এনেসথিশিওলজিস্ট, ক্রিটিক্যাল কেয়ার স্পেশালিস্ট, শ্বাসকষ্টের রোগের বিশেষজ্ঞ, সম্পূর্ণ সুবিধাসহ কার্ডিওলজি চিকিৎসক টিম, নেফ্রোলজিস্ট, সাইকোল-জিস্ট, নিউরোফিজিয়ান, ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ থাকা আবশ্যক।
এছাড়া বিভিন্ন বিষয়ের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সার্বক্ষণিক থাকবেন যাঁরা সরাসরি হাসপাতালে এসে কিংবা টেলিফোনের মাধ্যমে পরামর্শ দেবেন। কেননা করোনা আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে এসব রোগই বেশি দেখা দিতে পারে। শুধু রোগীদের চিকিৎসা সেবা কিংবা শয্যার বিষয়টি নিশ্চিত করলে হবে না, তাদের সেবা প্রদানকারী চিকিৎসক ও নার্সসহ স্বাস্থ্যকর্মী যারাই থাকবেন, তাদের করোনা ভাইরাস প্রতিরোধী মানসম্পন্ন পর্যাপ্ত পিপিই সরবরাহসহ সকল নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকতে হবে। থাকা-খাবারসহ সকল সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।

চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য পৃথক শয্যা বরাদ্দ থাকতে হবে :

করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে গিয়ে যদি কোন চিকিৎসক কিংবা স্বাস্থ্যকর্মী এ ভাইরাসে আক্রান্ত হন, তাহলে তাদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে হবে। একইসাথে থাকার সুবিধার্থে এসব স্বাস্থ্যকর্মীর জন্য পৃথক শয্যার ব্যবস্থা করতে হবে। স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টদের মতে, একশ’ শয্যার হাসপাতালে চিকিৎসকদের চিকিৎসার জন্য কমপক্ষে পৃথক পাঁচটি শয্যা থাকার প্রয়োজন আছে। নিরূপায় হলে তিনটি হলেও রাখতে হবে। কেননা চিকিৎসক কিংবা স্বাস্থ্য কর্মীরাই যদি সেবা না পায়, তাহলে আক্রান্ত রোগীদের সেবা বন্ধ হয়ে যাবে।

১০০ শয্যার হাসপাতালের জন্য চিকিৎসক-স্বাস্থ্য কর্মী যা প্রয়োজন :

একশ’ শয্যার একটি করোনা হাসপাতালের জন্য প্রথমতঃ চিকিৎসক-নার্স, ওয়ার্ড বয়, আয়াসহ সংশ্লিষ্টদের তিন শিফটে ভাগ করতে হবে। প্রতি শিফটে কমপক্ষে একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, তিনজন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জুনিয়র চিকিৎসক, পাঁচজন নার্স, তিনজন আয়া বা ওয়ার্ড বয়, তিনজন ক্লিনার থাকতে হবে। তবে এ সংখ্যা যতবেশি হবে ততই ভাল হয় বলে মনে করেন স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা। খেয়াল রাখতে হবে, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে যাতে কোন চিকিৎসকের অনুপস্থিতিতে কাজ চালিয়ে নেয়ার জন্য পুলে অতিরিক্ত চিকিৎসক রাখতে হবে।
তাদের মতে, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সমস্যা হলে কমপক্ষে ছয়মাসের প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত মেডিসিনের জুনিয়র চিকিৎসকদের বিকল্প হিসেবে কাজে লাগানো যেতে পারে। এক্ষেত্রে করোনা আক্রান্ত রোগীদের সংস্পর্শে থেকে যারা সেবা নিশ্চিত করবেন, ওই সকল চিকিৎসক-নার্সদের একনাগাড়ে কমপক্ষে সাত দিন কাজ করতে হবে। রোগীর সংখ্যা বাড়লে ১৪ দিন কাজ করতে হবে। পরবর্তীতে তারা ১৪ দিনের জন্য কোয়ারেন্টিনে থাকবেন। তাদের পরিবর্তে দ্বিতীয় রোস্টারে একইভাবে অন্য আরেকটি গ্রুপ শিফটে কাজ চালিয়ে যাবে। এখানে শুধুমাত্র চিকিৎসক-নার্স কিংবা আয়া-ওয়ার্ড বয় নয় বরং হাসপাতালের ক্লিনার থেকে শুরু করে যারাই থাকবেন, সকলের জন্য একই নিয়ম রাখতে হবে। কোয়ারেন্টিনে থাকার জন্য হাসপাতালে আবাসন ব্যবস্থা না থাকলে তাদেরকে শহরের মানসম্মত কোন হোটেলে রাখা যেতে পারে।

দক্ষ ও প্রশিক্ষিত কর্মী প্রয়োজন :

আইসিইউ ও ভেন্টিলেটর পরিচালনার জন্য দক্ষকর্মী বা চিকিৎসকের খুবই প্রয়োজন। কিন্তু দুর্ভাগ্য, এক্ষেত্রে ঘাটতি বরাবরের মতই রয়ে গেছে। এ পরিস্থিতিতে আইসিইউ ও ভেন্টিলেটর পরিচালনায় অভিজ্ঞ অবসরপ্রাপ্ত প্রশিক্ষিত চিকিৎসক বা কর্মীদের কাজে লাগাতে হবে। একই সাথে একটি প্রশিক্ষিত জনবল তৈরি করে তুলতে হবে। তা না হলে অনেকটাই কঠিন হয়ে পড়বে।

চিকিৎসক, নার্স, ওয়ার্ড বয় এবং ক্লিনারদের নিরাপত্তা :

প্রথমে দরকার পিপিই (পার্সোনাল প্রোটেকটিভ ইকুইপমেন্ট বা ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম)। জার্মানি এবং আরো ইউরোপিয়ান দেশ চীনের পিপিই মানসম্মত না হওয়ায় ফেরত দিয়েছে। তাই মানসম্মত পিপিই না হলে বিপদ। একজন চিকিৎসকের করোনা পজেটিভ হওয়া মানে এক হাজার জনের চিকিৎসা শেষ। কেননা চিকিৎসকের কাজ আর কাউকে দিয়ে করা সম্ভব না। আমাদের দেশের রোগীদের একটি প্রবণতা হল, রোগের ইতিহাস লুকানো। তাই যেকোন বৈশিষ্ট্যের রোগী গ্রহণ করতে পিপিই লেভেল-১ লাগবেই। এছাড়া প্রয়োজন এন-৯৫ বা তার সমমানের মাস্ক। লাগবে ফেসশিল্ডের (মুখের উপর আলাদা নিরাপত্তা ব্যবস্থা), করোনাপ্রতিরোধী মানসম্মত গগলস এবং জুতা। এই নিরাপত্তা করোনা হাসপাতালে কর্মরত সব শ্রেণির কর্মীর জন্য প্রযোজ্য।

থাকতে হবে কেন্দ্রীয় অক্সিজেন সাপ্লাই সিস্টেম :

চট্টগ্রামে করোনা রোগীদের জন্য সরকারিভাবে নির্ধারিত হওয়া দুটি হাসপাতালে কেন্দ্রীয় অক্সিজেন সাপ্লাই সিস্টেম নেই। তবে প্রতিষ্ঠার পর থেকে হলি ক্রিসেন্ট হাসপাতালে আইসিইউ ও ভেন্টিলেটর সুবিধা ছিল। কিন্তু যেহেতু এটি দীর্ঘদিন থেকে বন্ধ, তাই অকেজো থাকলে সংস্কার করতে হবে। শুধু আগের আইসিইউ কক্ষেই নয়, চাইলে পাশে থাকা অপারেশন থিয়েটারকেও আইসিইউতে রূপান্তর করা সম্ভব। যেহেতু করোনার জন্য কোন অপারেশনেরও দরকার নেই। তাই হলি ক্রিসেন্টের অপারেশন থিয়েটারকেও আইসিইউতে রূপান্তর করার সহজ সুযোগ আছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

রোগীর চিকিৎসা :

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় মূলতঃ জুনিয়র চিকিৎসকরা নিয়োজিত থাকেন। কিন্তু সেখানে অনেক জটিল রোগীও থাকেন। তাই দিনে অন্তত একবার একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে রোগী দেখার ব্যবস্থা করতে হবে।

থাকতে হবে করোনা টেস্টিং ল্যাব :

করোনা রোগের হাসপাতালে ল্যাব সুবিধা থাকলে খুব ভাল। তাহলে একজন রোগী সুস্থ হয়েছে কিনা তা জানার জন্য একাধিকবার পরীক্ষার প্রয়োজন হয়। হাসপাতালে এই সুবিধা থাকলে পজেটিভ এবং নেগেটিভ রোগী দ্রুত আলাদা করা যাবে। কারণ করোনা থেকে সুস্থ হওয়া ব্যক্তি যত দ্রুত হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাবেন তার জন্য ততই মঙ্গল। পরীক্ষা করার জন্য যদি তাকে করোনা রোগীদের সাথে থেকে অপেক্ষা করতে হয় তাহলে তিনি দ্বিতীয়বার আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকবেন।

যাতায়াত ব্যবস্থা :

এই হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক, নার্স এবং অন্যান্য কর্মচারীদের জন্য আলাদা যাতায়াত ব্যবস্থা করতে হবে। রোগীদের জন্য আলাদা এম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করতে হবে। যাতে খবর পাওয়া মাত্র দ্রুত এম্বুলেন্স গিয়ে রোগীকে নিয়ে আসতে পারে। ওই এম্বুলেন্সে অক্সিজেনসহ অন্যান্য আনুষাঙ্গিক চিকিৎসা সরঞ্জামাদি থাকতে হবে। এককথায় যাকে বলা হয়, আইসিইউ এম্বুলেন্স।

চিকিৎসক এবং অন্যান্য কর্মীর থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা :

ইতোমধ্যে যেসব হাসপাতালে করোনা রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে সেখানে চিকিৎসক এবং অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের থাকা-খাওয়া নিয়ে অসন্তোষের কথা প্রকাশ হয়েছে। যারা করোনা হাসপাতালে কর্মরত থাকবেন তাদের কোনভাবেই খাবার, বিশ্রাম এবং রাতে ঘুমানোর জন্য বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। হাসপাতালেই তাদের জন্য সবকিছুর ব্যবস্থা করতে হবে।

চিকিৎসা বর্জ্য বিভাগ :

এমনিতেই সাধারণ চিকিৎসাবর্জ্য থেকেও রোগ ব্যাধিসহ নানান ভাইরাস ছড়ানোর শঙ্কা থাকে সবসময়। সাধারণ হাসপাতালের বর্জ্য ডাম্পিং করা হলেও করোনা রোগীদের চিকিৎসায় নিয়োজিত হাসপাতালগুলোর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য অবশ্যই বর্জ্য বিভাগ থাকতে হবে। এক্ষেত্রে স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, করোনা রোগীদের বর্জ্য অবশ্যই পুড়িয়ে ফেলতে হবে। বিশেষ করে করোনা রোগীদের চিকিৎসা সেবা দানকারী চিকিৎসকদের পরিহিত পিপিইগুলোতো অবশ্যই পুড়িয়ে ফেলতে হবে। এছাড়া তাদের খাবারের উচ্ছিষ্ট থেকে শুরু করে ব্যবহারের সবকিছু পুড়িয়ে ফেলতে হবে। যেগুলো পোড়ানো যাবে না এমন বস্তু মাটিতে পুঁতে ফেলতে হবে। তা নাহলে এসব থেকে এ ভাইরাস ছড়াতে থাকবে। অন্যদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়াবে।

পরিচালনা পর্ষদ :

একটি হাসপাতালের সেবার মান নির্ভর করে তা কিভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে তার উপর। চট্টগ্রামের জ্যেষ্ঠ চিকিৎসক এবং হাসপাতাল পরিচালনায় অভিজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি পরিচালনা পর্ষদ গঠন করে হাসপাতাল পরিচালনার দায়িত্ব দিতে হবে।

হাসপাতালের নিরাপত্তা :

এই হাসপাতালের নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা করতে হবে। যাতে অযথা কেউ সেখানে ঘুরাঘুরি করতে না পারে। তাছাড়া কুকুর, বিড়ালের উৎপাত যাতে না হয় সেদিকেও কড়া নজর রাখতে হবে।

অন্যান্য বিষয় :

একটি আধুনিক করোনা হাসপাতালের জন্য সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতির পাশাপাশি রেডিওলজি মেশিন স্থাপন করতে হবে। বড় মেশিন স্থাপন করা না গেলে পোর্টেবল মেশিন বসাতে হবে। এছাড়া সিটি স্ক্যানার, এক্সরে সুবিধা, পোর্টেবল এক্সরে মেশিন, রক্ত সঞ্চালন বিভাগ, স্যানিটেশন ব্যবস্থা ইত্যাদি থাকতে হবে। একইসাথে অতিরিক্ত বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থাও থাকা জরুরি।

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 1203 People

সম্পর্কিত পোস্ট