চট্টগ্রাম শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০

সর্বশেষ:

করোনাভাইরাস আতঙ্কে রোগীশূন্য নাইক্ষ্যংছড়ি সদর হাসপাতাল

১৯ এপ্রিল, ২০২০ | ৯:১৫ অপরাহ্ণ

নাইক্ষ্যংছড়ি সংবাদদাতা

করোনাভাইরাস আতঙ্কে রোগীশূন্য নাইক্ষ্যংছড়ি সদর হাসপাতাল

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রু এলাকায় করোনাভাইরাস আক্রান্ত বৃদ্ধ আবু ছিদ্দিককে (৫৯) আইসোলেশনে রাখায় আতঙ্কে রোগী শূন্য হয়ে পড়েছে নাইক্ষ্যংছড়ি সদর হাসপাতাল। আজ রবিবার (১৯ এপ্রিল) দুপুর ২টায় সদর হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, বহিঃবিভাগ ও জরুরি বিভাগসহ পুরো হাসপাতাল ফাঁকা। শয্যাগুলো ফাঁকা পড়ে আছে। করোনাভাইরাস সংক্রমণ আতঙ্কে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

হাসপাতালটির মেডিকেল অফিসার ডা. আবু রায়হান পূর্বকোণকে জানান, উপজেলার তুমব্রু এলাকার বাসীন্দা আবু ছিদ্দীক (৫৯) নামের এক বৃদ্ধের কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাস সনাক্ত হয় গত শুক্রবার। সেদিন রোগীকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রেখে মোবাইলে চিকিৎসা দেয়া হয়। পরদিন শনিবার (১৮ এপ্রিল ) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশে রাতে সদর হাসপাতালের আইসোলেশনে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এ খবর জানার পর থেকেই ভাইরাস আক্রান্তের শঙ্কায় হাসপাতালে কোনো রোগী ভর্তি হচ্ছেন না। যারা আগে ভর্তি ছিলেন, তারা ভয়ে পালিয়ে যাচ্ছেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, করোনা পরিস্থিতির আগে ৫০ শয্যার এ হাসপাতালের আউটডোরে প্রতিদিন চিকিৎসা সেবা নিতে আসতেন ১১০ থেকে ১২০ জন রোগী। জরুরি বিভাগে রোগী থাকতো ৩০ থেকে ৪০ জন। করোনা পরিস্থিতির কারনে সেটা নেমে এসেছে ১০ থেকে ১৫ জনে। চলতি এপ্রিল মাসের আউটডোরে প্রথম সপ্তাহেও হাসপাতালে রোগী দেখা হতো ২০ থেকে ৩০ জন। অথচ উপজেলার তুমব্রু এলাকায় করোনা রোগী সনাক্ত হওয়ার সংবাদটি উপজেলায় ছড়িয়ে পড়লে আতঙ্কে হাসপাতালে জরুরি বিভাগে ১৬ এপ্রিল রেজিষ্ট্রাড অনুযায়ী ভর্তি হয় ১১ জন। ১৭ এপ্রিল ভর্তি হয় ৮ জন।

করোনা সনাক্ত রোগীকে হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে রাখার খবর পেয়ে দুই তিন জন নিয়ম মাফিক ছাড়পত্র নিলেও অন্য সব রোগী না বলে পালিয়ে যায়। আজ রবিবার (১৯ এপ্রিল) দুপুর পর্যন্ত আউটডোরে রোগী ছিল মাত্র একজন। তবে জরুরি বিভাগের ওয়ার্ডে রোগী ছিলো শূন্য।

 

 

 

পূর্বকোণ/শামীম-আরপি

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
The Post Viewed By: 185 People

সম্পর্কিত পোস্ট