চট্টগ্রাম বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০

সর্বশেষ:

কালভার্টের কাজে ধীরগতি খেসারত গুনছেন যাত্রীরা

১৮ মার্চ, ২০২০ | ৩:০৫ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রবর্তক মোড়

কালভার্টের কাজে ধীরগতি খেসারত গুনছেন যাত্রীরা

চকবাজার-দু’ নম্বর গেট রোডে টেম্পো চলাচল ৬ মাস ধরে

  • বন্ধ অলি খাঁ মসজিদ মোড়ের অস্থায়ী টেম্পো স্টপেজ উচ্ছেদ করায় গণপরিহণ সংকট

নগরীর চকবাজার-২ নম্বর গেট রোডের অলি খাঁ মসজিদ মোড়ের অস্থায়ী টেম্পো স্টপেজটি গত বুধবার উচ্ছেদ করেছে ট্রাফিক প্রশাসন। যার কারণে অন্য গণপরিবহন না থাকায় মারাত্মক গণপরিবহন সংকটে পড়েছে সড়কটি ব্যবহারকারী নিম্ম আয়ের মানুষ ও শিক্ষার্থীরা। দীর্ঘদিন ধরে প্রবর্তক মোড়ের কালভার্টের সংস্কার কাজে অস্বাভাবিক ধীরগতির কারণে রোডটিতে অসহনীয় যানজট লেগেই আছে। যেটা নিয়ে ট্রাফিক পুলিশের সাথে ঝামেলার কারণে টেম্পো চালকরা তাদের গন্তব্য মেডিকেল মেইন গেট পর্যন্ত সীমিত করে। এটাকেও মন্দের ভাল হিসেবে মেনে নিয়েছিল যাত্রীরা। এতে করে একজন যাত্রীকে দুই কিংবা তিনটি যানবাহন পরিবর্তন করতে হয় ২ নম্বর গেট যেতে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক পোস্টের সূত্র ধরে ট্রাফিক প্রশাসন রোডটিতে টেম্পো চলাচল বন্ধ করে দেয়। এতে যানজট একেবারে কমে গেলেও নতুন করে গণপরিবহন সংকটে পড়ে যাত্রীরা। আসিফ খালেক নামের এক যাত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘বিকল্প ব্যবস্থা না রেখেই ঢালাওভাবে এই এলাকার গণপরিবহন বন্ধ করে দেয়া কতটুকু যৌক্তিক? এটা অনেকটা মাথাব্যথা হলে মাথা কেটে ফেলার মতো হল না’? মরিয়ম নামের এক গার্মেন্টস কর্মী জানান, ‘এই রোডে টেম্পো দিয়ে অনায়াসে মাত্র ৫ টাকায় চকবাজার থেকে ২ নম্বর গেট যাওয়া যেত। অলি খাঁ মসজিদ থেকে প্রবর্তক অবধি যে রোডে রিক্শা আগে ২০ টাকা নিতো এখন তারা ৩০ টাকার নিচে যেতে চায় না’। তিনি আরও জানান, ‘সিএনজি ট্যাক্সিচালকরা আগে ২০ টাকায় ২ নম্বর গেট পর্যন্ত গেলেও এখন তারা মেডিকেলের মেইন গেটের পর আর যেতে চাচ্ছে না। এ কারণে এক প্রকার নরক যন্ত্রণা ভোগ করছি। সন্ধ্যার পর যখন চাপ বাড়ে তখন অবস্থা আরও খারাপ হয়’।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ট্রাফিক পুলিশের টিআই জাকারিয়া বলেন, ‘কাগজপত্র মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে যাওয়ায় টেম্পোগুলো বন্ধ রয়েছে। মোটকথা মেডিকেল এলাকায় রোগী পরিবহনকারী এম্বুলেন্স ও মেডিকেল শিক্ষার্থীদের প্রবেশে যানজট এড়াতে এটা করা হয়েছে । তবে ব্রিজ বা কালভার্টটি নির্মাণ শেষ হলে একটা সমাধান হতে পারে’।
এ বিষয়ে চকবাজার টেম্পো মালিক সমিতির সহ-সভাপতি মোহাম্মদ খলিল জানান, ‘যানজটের খোঁড়া যুক্তি দিয়ে ট্রাফিক প্রশাসন টেম্পো চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে। সাধারণ যাত্রীদের কথা মাথায় রেখে একেবারে বন্ধ না করে মেডিকেল এলাকায় যানজট কমানো যেত অন্য উপায়ে।
তিনি বলেন, আপাতত কালভার্ট নির্মাণ শেষ হওয়া পযর্ন্ত রোড পরিবর্তন করে পাঁচলাইশ থানার সামনে দিয়ে প্রবর্তক মোড় হয়ে ২ নম্বর গেট যাওয়ার অনুমতি দিতে পারতো। মানুষ কিভাবে যাবে, কারণ নতুন রোড পারমিটও বন্ধ রয়েছে।

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 104 People

সম্পর্কিত পোস্ট