চট্টগ্রাম সোমবার, ২৫ মে, ২০২০

সর্বশেষ:

ভগ্নিপতি সেলিম দা’র কোপে ইউনুচের মৃত্যু নিশ্চিত করে

১১ মার্চ, ২০২০ | ৩:২১ পূর্বাহ্ণ

এস.এম.মোরশেদ মুন্না, নাজিরহাট

আসামি তৌহিদের স্বীকারোক্তি

ভগ্নিপতি সেলিম দা’র কোপে ইউনুচের মৃত্যু নিশ্চিত করে

ঘটনায় ব্যবহৃত দা, কোদাল, লুঙ্গি উদ্ধার

ফটিকছড়ির ইউনুচ হত্যাকা-ের কিলিং মিশনের সদস্য মুহাম্মদ তৌহিদ (৪০)’ কে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। সে উপজেলার লেলাং ইউনিয়নের লালপুর বলি বাপের বাড়ির মুহাম্মদ লোকমানের ছেলে। ফটিকছড়ি থানা পুলিশ গত ৮ মার্চ রাতে আসামি তৌহিদকে তার ঘর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। থানায় ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সে ঘটনার সাথে সম্পৃত্ত থাকার কথা স্বীকার করে। পুলিশ তার দেখানো মতে, ঘটনায় ব্যবহৃত একটি দা, কোদাল ও লুঙ্গির ছেঁড়া অংশ উদ্ধার করে।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার তৌহিদ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে বলেছে, গত ১ মার্চ সন্ধ্যায় নিহত ইউনুচের বড় বোনের জামাই ওমান প্রবাসী সেলিম ইউনুচকে টাকা দিবে বলে লেলাংয়ে ঢেকে আনেন। ওই রাতে সেলিম, তৌহিদসহ আরো একজন মিলে ইউনুচকে হত্যা করে খালের কিনারায় মাটি চাপা দেয়। ধৃত তৌহিদের মতে সেলিমই দা দিয়ে ইউনুচের মাথায় আঘাত করে। এতে ইউনুচ মাটিতে পরে কাতরাতে থাকলে নড়াচড়া বেশি দেখে আরো কয়েক দফা মাথায় আঘাত করে একেবারে মৃত্যু নিশ্চিত হয়ে খালের কিনারায় তিনজনে মিলে মাটি চাপা দেয়। ঘটনার পরপরই প্রধান আসামি সেলিম ওমানে পালিয়ে যায়।
উল্লেখ্য, ৭দিন নিখোঁজ থাকার পর গত ৭ মার্চ দুপুরে উপজেলা লেলাং ইউনিয়নের লেলাং খালের লালপুল সংলগ্ন এলাকায় খালের কিনারা হতে হাত, পা বাঁধা অবস্থায় ইউনুচের লাশ উদ্ধার করে ফটিকছড়ি থানা পুলিশ। ঘটনার পরদিন (৮ মার্চ) নিহত ইউনুচের মা বাদি হয়ে থানায় হত্যা মামলা রুজু করেন। এরপর থেকে পুলিশ তদন্তে নামে।
জানতে চাইলে ফটিকছড়ি থানার অফিসার্স ইনচার্জ বাবুল আখতার জানান, ক্লু লেস একটি ঘটনা ছিলো, আমরা বিচক্ষণতার সাথে খুব দ্রুত কাজ করে আসামিকে ধরতে পেরেছি। ধৃত আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

The Post Viewed By: 106 People

সম্পর্কিত পোস্ট