চট্টগ্রাম বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২০

সর্বশেষ:

কারাগারে সাবেক সিভিল সার্জন সরফরাজ খান

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ | ৫:৫৪ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

৯ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলা

কারাগারে সাবেক সিভিল সার্জন সরফরাজ খান

দুর্নীতির মামলায় চট্টগ্রাম জেলার সাবেক সিভিল সার্জন ও জেনারেল হাসপাতালের সাবেক তত্ত্বাবধায়ক ডা. সরফরাজ খান চৌধুরীকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। গতকাল বুধবার দুপুরে মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ শেখ আশফাকুর রহমানের আদালত কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে গত বছরের ২৫ নভেম্বর দুর্নীতির দায়ে সাবেক এ সিভিল সার্জন ও চার চিকিৎসক এবং তিন ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলা দায়েরের পর হাইকোর্ট থেকে ছয় সপ্তাহের অগ্রিম জামিন নেন তারা। জামিনের মেয়াদ শেষে তাদের নিম্ম আদালতে আত্মসমর্পণ করারও নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকের পিপি কাজী ছানোয়ার আহমেদ লাভলু পূর্বকোণকে বলেন, ‘হাইকোর্টের জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় আদালতে আত্মসমর্পণ করেন ডা. সরফরাজ খান চৌধুরী। এসময় তার পক্ষের আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করেন। দুদকের পক্ষ থেকে আমি জামিনের বিরোধিতা করি। আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন’।

মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ২৯ মে থেকে ২০১৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত পৃথক পৃথক সময়ে তিনটি আলাদা কার্যাদেশের মাধ্যমে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের যন্ত্রপাতি ক্রয়ে অতিরিক্ত মূল্য দেখিয়ে পরস্পর যোগসাজশে বার্ষিক ক্রয় পরিকল্পনা ছাড়াই জালিয়াতির মাধ্যমে বিভিন্ন সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের ভুয়া প্যাড, সিল-স্বাক্ষর ব্যবহার করে ৯ কোটি ১৫ লাখ ৩০ হাজার ৪২৫ টাকা আত্মসাৎ করা হয়। দুদকের অনুসন্ধানে তৎকালীন সিভিল সার্জন ও জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. সরফরাজ খান চৌধুরী ১২টি ভারি যন্ত্রপাতি ক্রয়ে বাজারমূল্যের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি দেখায়। যা দুদকের দীর্ঘ দুই বছর অনুসন্ধান করে অভিযোগের সত্যতা পায়। যার বিষয়ে দুদক প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম বাদি হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন : জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট (মেডিসিন) ডা. মো. আবদুর রব, জুনিয়র কনসালটেন্ট (অর্থো-সার্জারি) ডা. মো. মইন উদ্দিন মজুমদার, সিনিয়র কনসালটেন্ট (সার্জারি) ডা. বিজন কুমার নাথ, ঢাকার বেঙ্গল সাইন্টেফিক এন্ড সার্জিকেল কোং এর সত্ত্বাধিকারী মো. জাহের উদ্দিন সরকার, ঢাকার মেসার্স আহম্দ এন্টারপ্রাইজের সত্ত্বাধিকারী মুন্সী ফারুক হোসেন, ঢাকার এ এস এল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফতাব আহমেদ।

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 98 People

সম্পর্কিত পোস্ট