চট্টগ্রাম সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০

সর্বশেষ:

বাঁশখালীতে ৪ ফার্মেসি ও ভুয়া ডাক্তারকে জরিমানা

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ | ৪:২২ অপরাহ্ণ

বাঁশখালী সংবাদদাতা

৪ শতাধিক ওষুধের দোকান বন্ধ করে ৩ ঘন্টা আন্দোলন

বাঁশখালীতে ৪ ফার্মেসি ও ভুয়া ডাক্তারকে জরিমানা

বাঁশখালী উপজেলার বৈলছড়ি কে.বি বাজারে উপজেলা প্রশাসন ও ড্রাগের পক্ষ থেকে  ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ১ লক্ষ ২৭ হাজার ২শত টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। মোট ৪টি প্রতিষ্ঠান ও একজন ভুয়া ডাক্তারের নিকট থেকে এসব জরিমানা আদায় করা হয়। এছাড়া প্রকাশ্যে ধূমপান করার অপরাধে এক ব্যক্তিকে ২’শ টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযান চলাকালীন সময়ে বাঁশখালী ১৪ ইউনিয়ন ও পৌরসভায় খবর পৌঁছলে ওষুধ ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ করে উপজেলায় উপস্থিত হয়। ৩ ঘন্টার পর পুনরায় এলাকায় ফিরে গিয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালু করে।

আজ মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১ টার দিকে অভিযান পরিচালনার ঘটনাটি ঘটে। বৈলছড়ি কে.বি বাজারে বিভিন্ন ওষুধের দোকানে অভিযান চালানো হয়।

বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা মোমেনা আক্তার ও চট্টগ্রাম ওষুধ প্রশাসন তত্ত্বাবধায়ক কামরুল হাসান ও বাঁশখালী থানার এসআই বিমল কান্তি দাশ এর নেতৃত্বে একদল পুলিশের অভিযানের খবরে পুরো বাঁশখালীর ওষুধ দোকান বন্ধ থাকায় রোগীরা ভোগান্তিতে পড়ে।

অভিযানকারী দল সূত্রে জানা যায়, ড্রাগ এ্যাক্ট আইনের ১৯৪০ এর ১৮/২৭ ধারায় ও ২০০৫ এর ৪/৭ ধারায় ধুমপান ও তামাকজাত দ্রব্য আইনে অভিযান পরিচালিত হয়। বৈলছড়ি কে.বি বাজারে অভিযান চলাকালে বাংলাদেশ ফার্মাসিতে অবস্থানরত মৃত ছিদ্দিক আহমদের ছেলে আজিজুল হক ডাক্তার পরিচয় দেয়। তার ডাক্তার পরিচয়ের সনদ দেখতে চাইলে সে দেখাতে পারেনি। এই জন্য তাকে আদালতের পক্ষ থেকে ৫০ হাজার টাকা একই ভাবে বাংলাদেশ ফার্মাসির মালিক প্রদীপ তালুকদার, মেসার্স তালুকদার ফার্মাসির মালিক সুখেন্দু বিকাশকে ১৫ হাজার টাকা  মানহীন ওষুধ ও সেম্পল ওষুধ বিক্রির জন্য দোকানে রাখার দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমান আদায় করা হয়। একইভাবে সঞ্চয় দাশের মালিকানাধী মেসার্স ব্রাদার্স ফার্মাসিকে ৬ হাজার টাকা, ছোটন বিশ্বাসের মালিকানাধীন মেসার্স ইসলাম ফার্মাসিকে ৬ হাজার টাকা ও প্রকাশ্যে ধুমপান করায় ২’শ টাকা জরিমানা করা হয়।

বাঁশখালী ওষুধ (ফার্মেসি) ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ছমুদুল হক বলেন, ‘আমরা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সরকারি নিষিদ্ধ ওষুধ বিক্রি করি না। কিছু কিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অনিয়মের আশ্রয় নিলেও নিষেধ করে দেয়া হয়। সেম্পল ওষুধগুলো কোম্পানীর লোকজন দিয়ে থাকেন। কিছু দোকানের জন্য আমাদের সমস্যা হচ্ছে। প্রশাসনকে আমরা সব সময় সহযোগিতা করে থাকি। আমাদের লোক (ব্যবসায়ী) আটক হয়েছে গুজবে বিভিন্ন স্থানের দোকানগুলো বন্ধ রেখেছিল তাদেরকে জনগণের সেবার জন্য খুলে দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।    

বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোমেনা আক্তার বলেন, ‘ওষুধের দোকানগুলোতে নিম্নমানের ওষুধ বিক্রি ও সরকারি ওষুধ বিক্রির তথ্য ছিল। অভিযানে ডাক্তার নয় এমন ব্যক্তি নিজেকে ডাক্তার দাবী করায় তাকে জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়াও বিক্রি নিষিদ্ধ ওষুধ রাখার দায়ে ৪ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে জরিমানা আদায় করা হয়।’

 

 

পূর্বকোণ/পিআর  

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 193 People

সম্পর্কিত পোস্ট