চট্টগ্রাম বৃহষ্পতিবার, ২৮ মে, ২০২০

‘সেফহোমে’ থাকা ২৫ ইয়াবা কারবারির আত্মসমর্পণ আজ

৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ | ৪:২১ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব সংবাদদাতা হ উখিয়া

‘সেফহোমে’ থাকা ২৫ ইয়াবা কারবারির আত্মসমর্পণ আজ

দীর্ঘদিন ‘সেফহোমে’ থাকার পর প্রায় ২৫ ইয়াবা কারবারি আজ (সোমবার) সকালে কক্সবাজারের টেকনাফ সরকারি ডিগ্রি কলেজ মাঠে আত্মসমর্পণ করবে। ইয়াবা ব্যবসায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার আশায় আত্মসমর্পণ করতে যাচ্ছে তারা। আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানকে ঘিরে মঞ্চসহ সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে জেলা পুলিশ। রবিবার (গতকাল) সকালে টেকনাফ উপজেলায় মাইকিংও হয়েছে। জেলা পুলিশ আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক। সভাপতিত্ব করবেন পুলিশ সুপার এ.বি.এম মাসুদ হোসেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন বলেছেন, ‘সোমবার (আজ) দুপুরে ২০-২৫ জন ইয়াবা ব্যবসায়ী আত্মসমর্পণ করতে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। প্রসঙ্গত, এর আগে ২০১৯ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ১০২ জন চিহ্নিত ইয়াবা কারবারি আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করেছিল। দ্বিতীয় দফায় প্রায় ২০-২৫ জন ইয়াবা কারবারি

আত্মসমর্পণ করতে যাচ্ছে। সেখান থেকে আনুষ্ঠানিকতা শেষে আদালতের মাধ্যমে তাদের জেলা কারাগারে নিয়ে যাওয়া হবে। তাদের মধ্যে কয়েকজনের নাম জানা গেছে। তারা হলো টেকনাফের নাজিরপাড়ার কালা সওদাগর, মৌলভীপাড়ার ফজল আহমদের ছেলে রিদোয়ান ও আবদুর রাজ্জাক, মৃত আমির হোসেনের ছেলে আবদুল আমিন আবুল প্রমুখ। কক্সবাজার জেলা কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সভাপতি তোফায়েল আহমদ বলেছেন, ২৩ জন চিহ্নিত ইয়াবা কারবারি আত্মসমর্পণ করার জন্য সেফহোমে অবস্থান করছে বলে শুনেছি। আসলে কতজন আত্মসমর্পণ করবে তা জানা যাবে ৩ ফেব্রুয়ারি (আজ) সকালে। তবে এটি একটি ভালো দিক, কিছু মাদক কারবারি বুঝতে শুরু করেছে এসব অপকর্ম করে আর রক্ষা হবে না। এতে করে মাদক পাচার কমে আসতে শুরু করেছে।
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাস বলেন, ‘মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের কঠোর অবস্থান থাকায় ইয়াবা ব্যবসা কমে এসেছে। কোনও মাদক কারবারিকে ছাড় দেওয়া হবে না। যেকোনভাবে এই অঞ্চল থেকে মাদক বন্ধ করা হবে।

জানুয়ারি মাসে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ৯ : জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে পুলিশ, বিজিবি ও র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৯ মাদক কারবারি নিহত হয়েছে। এরমধ্যে ৬ জন রোহিঙ্গা। এর আগে ২০১৮ সালের মে থেকে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কক্সবাজার জেলায় বিশেষ অভিযানে ৫৬ রোহিঙ্গাসহ ২০৯ জন ইয়াবা কারবারি ও ডাকাত-সন্ত্রাসী নিহত হয়।

The Post Viewed By: 101 People

সম্পর্কিত পোস্ট