চট্টগ্রাম শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০

সর্বশেষ:

বন্ধ হোক অনিরাপদ পানির ব্যবহার

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ | ৩:৫৩ পূর্বাহ্ণ

বন্ধ হোক অনিরাপদ পানির ব্যবহার

নব্বই দশকের আগে পানি কিনে খেতে হয় দেশের লোকজনের এ রকম ধারণা ছিল না বললেই চলে। বাসাবাড়ি, হোটেল-রেস্তোরাঁসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কলসি বা ড্রাম থেকে পানি নিয়ে পান করা হতো। একটি মুহূর্তের জন্য মনে হয়নি, এ পানি বিশুদ্ধ কিনা? ক্ষতিকর কিছু আছে কিনা? আশির দশকেও পানি ফুটিয়ে পান করার রেওয়াজ ছিল না। ওয়াসার পাইপের মাধ্যমে সরাসরি ট্যাপ নির্গত পানিকেই সুপেয় পানি বিবেচনা করা হতো। স্মৃতিপটে ভেসে উঠেÑসত্তর-আশির দশকে চট্টগ্রাম শহরের মধ্যে অনেক পুকুর ছিল। ওইসব পুকুরের পাড়ে বাঁশের বেড়া দিয়ে গোসলখানার মতো প্রকোষ্ঠে মা-বোনদের গোসল করা, কাপড়-চোপড় কাচা, থালা-বাসন ধোয়া সবকিছুই চলত, কোথাও কোথাও ওই পানি খাওয়াও হতো।
খাল-বিল, পুকুর, জলাভূমির সংখ্যা কমছে। নিম্মাঞ্চল ভরাট করে বিভিন্ন স্থাপনা ও কলকারখানা তৈরি হচ্ছে; ১৬ কোটি মানুষের খাদ্যের জোগান দেয়ার জন্য ফসলের মাঠে ব্যবহৃত সার ও কীটনাশক, শিল্প-কলকারখানার রাসায়নিক বর্জ্য নদী, খাল-বিলের পানির সঙ্গে মিশে পানির উৎসকে দূষিত ও বিষাক্ত করছে।
ওয়াসার পানি, কনটেইনারের পানি, জারের পানি, বিভিন্ন কোম্পানির পরিশোধিত পানি যখন আমাদের হাতে আসে, তখন তা কতটুকু নিরাপদ থাকে? নিরাপদ ও সুপেয় পানি এবং পয়ঃনিষ্কাশনের অভাবে বছরে বিশ্বে প্রায় ৩৭ লাখ মানুষ পানিবাহিত বিভিন্ন রোগে মারা যায়, যার মধ্যে ১৫ লাখ শিশু। বাংলাদেশে এ অবস্থা আরও ভয়াবহ। কেবল বিশুদ্ধ পানির ব্যবহারে মাধ্যমে দুনিয়াজুড়ে পানিবাহিত রোগে মৃত্যু ঝুঁকি ২১% কমানো যেতে পারে। প্রতি বছর গরম কালের শুরুতে হাসপাতালগুলোয় ডায়রিয়া রোগীর ভিড় বাড়তে থাকে। এর কারণ হিসেবে চিকিৎসকরা বলেছেন পানির সমস্যা।
চট্টগ্রামে দৈনিক বিশুদ্ধ পানির চাহিদা ৪৫ থেকে ৫০ কোটি লিটার, তন্মধ্যে ৩২ কোটি লিটার হালদা ও কর্ণফুলী নদীর পানি পরিশোধন করে এবং ৪ কোটি লিটার চট্টগ্রাম ওয়াসা গভীর নলকূপের মাধ্যমে উত্তোলন করে নগরবাসীর জন্য সরবরাহ করে থাকে।
বিভিন্ন তথ্য মতে, নগরবাসীর দীর্ঘদিনের অভিযোগÑওয়াসার পানিতে মাত্রাতিরিক্ত দুর্গন্ধ ও ময়লা থাকে, দীর্ঘ সময় ফোটানোর পরও দুর্গন্ধ যাচ্ছে না। কারণ, হিসেবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরবরাহ করা পানি নানা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিশোধন করে নগরবাসীর জন্য সরবরাহ করলেও তা সরাসরি পানের যোগ্য নয়। তাই সময় ধরে ফোটানোর পরও দুর্গন্ধ থাকছে।
ধীরে ধীরে আমাদের জীবন-যাত্রার মান বাড়ছে, সবাই শরীর ও স্বাস্থ্য সচেতন হয়েছে, সেবাদানকারী দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম ও বিদেশের সঙ্গে যোগাযোগ বেড়েছে, চিন্তা-চেতনায় পরিবর্তন এসেছে। জনসংখ্যা বেড়েছে, পানির উৎসগুলো বর্ধিত জনসংখ্যা দ্বারা দূষিত হচ্ছে, খাদ্যে ভেজাল এসেছে, মানুষকে ঠকানোর প্রবণতা যেমন বাড়ছে, তেমনি ধীরে ধীরে মানুষ সচেতন হওয়ারও চেষ্টা করছে। দেশে পানি যখন বিক্রয়যোগ্য পণ্যে পরিণত হল, খাওয়ার পানি, গৃহস্থালী পানি কেনাবেচা শুরু হল, তখন থেকেই পানি সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করল। এ সুযোগে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বিশুদ্ধ পানির নামে বোতলজাত ও জারে পানি বিক্রির রমরমা ব্যবসা পেতে বসল।
নগরীর ষোলশহর ২নং গেটের ফুটপাতের এক দোকানে চা পান করার আগে জার থেকে এক গ্লাস পানি পান করছিলেন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের এক চাকরিজীবী; ওই পানির বিশুদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন এটি ফিল্টার করা, ওরা তো ভালোই বলে, তবে ইদানীং অনেক কথাই শোনা যায়। জারের এক গ্লাস পানি এক টাকায় পাওয়া যায়, বোতলের পানির দাম পনের টাকা। মুরাদপুর মোড়ের আরেক চা দোকানদার জানায়, ১জার পানি ৫০ টাকায় কিনে প্রতি গ্লাস ১ টাকায় বিক্রি করেন। তাকে পানির বিশুদ্ধতার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে জানানÑ বিভিন্ন কোম্পানি নিরাপদ পানি বলে দোকানে দিয়ে যায়, তারা সরল বিশ্বাসে এসব কিনে নেন, কাস্টমারও সরল বিশ্বাসে এগুলো পান করে।
নগরীতে জারের পানি পথচারী, শ্রমজীবী, নি¤œআয়ের চাকরিজীবী, শিক্ষার্থীসহ সবাই পান করছে। বিভিন্ন রিপোর্টে বলা হচ্ছে, সরাসরি ওয়াসার লাইন থেকে সংগ্রহ করা জারের ওই পানিই মানুষজন বিশুদ্ধ মনে করে পান করছে। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল ও বিএসটিআই জারের পানির ২৫০টি নমুনা পরীক্ষা করে। ওই পানিতে কলিফর্ম ব্যাকটেরিয়া পাওয়া গেছে। মানুষ ও প্রাণীর মলে এ জীবাণু থাকে, যা স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। বিএসটিআইয়ের তথ্যমতে, জার ও বোতলের পানি সরবরাহের জন্য চট্টগ্রামে ৩৬টি প্রতিষ্ঠানকে অনুমতি দেয়া হয়েছে। কতগুলো নিয়ম মেনে জারের পানি বিক্রয় করতে হয়। যেমন ওই প্রতিষ্ঠানের বিএসটিআইয়ের অনুমোদন, রসায়নবিদ ও পরিছন্নতাকর্মী, যেসব-কর্মী জারে পানি ভর্তি করে তাদের সুস্বাস্থ্যের সনদ, জারের লেভেলে উৎপাদন এবং মেয়াদোত্তীর্ণ তারিখ থাকতে হয়।
এ প্রসঙ্গে বিএসটিআই এর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অভিমত হচ্ছে, কিছু অসাধু ব্যক্তি বিশুদ্ধ পানির নামে প্রতারণার ব্যবসা শুরু করেছে। বিএআরসি, জনস্বাস্থ্য ইন্সটিটিউট ও বিএসটিআইয়ের পরীক্ষায় উদ্বেগজনক তথ্য পাওয়া গেছে। টোটাল কলিফর্ম ও ফিকাল কলিফর্মের পাশাপশি এসব পানির পিএইচ, টিডিএস, সিসার পরিমাণ ঝূঁকিপূর্ণ। কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে দেখা গেছে, কোন কোন প্রতিষ্ঠান সরাসরি ওয়াসার পানি এবং কেউ কেউ ডিপটিউবওয়েলের পানি জারে ভরে বিক্রয় করছে। কোথাও মান পরীক্ষার প্যারামিটার নেই। অস্বাস্থ্যকর নোংরা পরিবেশে পানি ভরা হচ্ছে।
সচেতন জনগণ বাসায় ফোটানো পানি, অফিসে জারের পানি, বাইরে ঘোরাঘুরির সময় বোতলের পানি পান করছে। কোনটা নিরাপদ? উত্তর হয়তো কোনোটাই না। তাহলে কী হবে? ভূগর্ভস্থ পানি, নদী-নালা, খাল-বিলের পানি, ওয়াসার পানি, জার ও বোতলের পানি পদ্ধতিগতভাবে ব্যবহার ও পানির অপচয় রোধ করতে হবে। হালদা ও কর্ণফুলী নদীর পানি অন্তত পরিশোধনের পর যেন দুর্গন্ধমুক্ত ও সুপেয় হয় সে ব্যবস্থা করতে হবে এবং প্রতিটি উৎসকে দ্রুততার সঙ্গে নিরাপদ পানির আধারে পরিণত করার উদ্যোগ নিতে হবে। যেখানে-সেখানে গভীর নলকূপ বসিয়ে পানি উত্তোলন বন্ধ করতে হবে। এমনিতেই প্রতিনিয়ত আমাদের ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে, ফলে নিচের পানিতে আর্সেনিকের মাত্রা বেড়ে ভয়ানক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে। আর্সেনিকমুক্ত এলাকা ব্যতীত কোথাও কোনো ধরনের নলকূপ ও গভীর নলকূপ থাকতে পারবে না। ২০২১ সালে ওয়াসার পানি ট্যাপ থেকে নিয়ে সরাসরি পান করা যাবে মর্মে যে লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে, তা বাস্তবায়নের জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করতে হবে।
বিভিন্ন স্থাপনাগুলোর পয়ঃনিষ্কাশন পাইপের মাধ্যমে নদী, খাল-বিল বা প্রাকৃতিক জলাভূমিতে আবর্জনা ফেলা বন্ধ করে পানির উৎসগুলোকে দূষণমুক্ত রাখার উদ্যোগ নিতে হবে। কর্ণফুলী ও হালদাা নদীর পরিশোধিত পানিতে দুর্গন্ধ থেকেই যাচ্ছে। স্মরণ করা যেতে পারে, পয়ঃবর্জ্যরে পানি পরিশোধন করে সিঙ্গাপুর বিশুদ্ধ পানি তৈরি করছে। তাই আমাদেরও পানি পরিশোধনের জন্য ওই ধরনের উন্নতমানের শোধনাগার গড়ে তুলতে হবে। ওয়াসার লাইনে ত্রুটি থাকায় অনেক সময় ড্রেনের পানি ও পয়ঃআবর্জনা লাইনে প্রবেশ করে পানিকে বিষাক্ত, দূষিত ও দুর্গন্ধযুক্ত করে তোলে। তাই ওয়াসার লাইন নিয়মিত পরীক্ষা ও ত্রুটিমুক্ত রাখতে হবে।
বাসাবাড়ি, বিল্ডিং বা অন্যান্য স্থাপনায় সাপ্লাই পানি সাধারণত প্রথমে আন্ডারগ্রাউন্ড রিজার্ভারে জমা হয়ে ওভারহেড ট্যাঙ্কের মাধ্যমে বিভিন্ন ফ্ল্যাট, অফিস ও অন্যান্য ইউনিটে সরবরাহ করা হয়। অধিকাংশ আন্ডারগ্রাউন্ড ও ওভারহেড ট্যাঙ্ক নিয়মিত পরিষ্কার করা হয় না, অনেক সময় ঢাকনা খোলা থাকে; কুকুর, বিড়াল, মুরগি, কীটপতঙ্গ ঘোরাফেরা করে, কাক ময়লা-আবর্জনাসহ ঢাকনাবিহীন ট্যাঙ্কে বসে। এ ধরনের অব্যবস্থাপনায় নিরাপদ পানিও বিভিন্ন হাউসহোল্ডে ব্যবহারের প্রাক্কালে দূষিত হয়ে যায়। ট্যাঙ্কের ভেতর-বাহির পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার ব্যাপারেও আমাদের সতর্ক হতে হবে।
ট্যাঙ্কের পানি সাধারণত ফুটিয়ে পান করা হয়। পানি কতক্ষণ ফোটাতে হবে, এ ব্যাপারে সাধারণ মানুষের কাছে সঠিক তথ্য নেই। কেউ বলে ১০ মিনিট, কেউ বলে ৩০ মিনিট, কেউ বলে ৪৫ মিনিট, আবার কেউ বলে পানিতে ‘বলক’ এলেই জীবাণুমুক্ত হয়ে গেল। তাহলে প্রত্যেককে কী গবেষণা করে বের করতে হবে, কোনটি সঠিক? জনগণকে এ সংক্রান্ত সঠিক তথ্য অবহিত করা যে প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব, তাকেই বিভ্রান্তি দূর করার উদ্যোগ নিতে হবে। আমরা প্লাস্টিকের তৈরি ফিল্টার, জগ বছরের পর বছর এবং মিনারেল ওয়াটারের বোতল বারবার রিফিল করে ব্যবহার করছি। আয়রন, ময়লা জমে ফিল্টার, জগ-গ্লাসের সাদা রং তামাটে হয়ে যাওয়ার পরও সেগুলো পাল্টানো হয় না। প্লাস্টিকের এ জিনিসগুলো দীর্ঘদিন ব্যবহারে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।
ওয়ান টাইম ইউজেবল জিনিসপত্রের ব্যবহার অনেক সময় স্বাস্থ্যের ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। গ্লাসের পাতলা প্লাস্টিকের উপাদান গরম পানি চা-কফির সংস্পর্শে গলে মারাত্মক ক্ষতিকর বিক্রিয়া তৈরি করে, তাই পাতলা প্লাস্টিক গ্লাসে গরম পানীয় পান থেকে বিরত থাকা যেতে পারে। বাজারের শাকসবজি, ফলমূল ও মাছ সতেজ রাখার জন্য ড্রেনের বা অনিরাপদ উৎসের পানি ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।
হোটেলে, বিয়ে বা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এলুমিনিয়ামের বড় বড় গামলা একই পানিতে শত শত লোকের ব্যবহৃত থালা-বাসন, গ্লাস ধোয়া হচ্ছে। এত এঁটো প্লেট একই পানিতে ধোয়া স্বাস্থ্যসম্মত নয়, এটি আমরা বুঝতে চাই না। একইভাবে অনেক বাসাবাড়িতে কাপড়-চোপড়, থালা-বাসন এবং রান্নার প্রাক্কালে তরিতরকারি ধোয়াতে একই গামলা ও বালতি ব্যবহৃত হওয়ায় রোগ-জীবাণুর সংক্রমণের আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে। কিছুদিন আগে জনস্বাস্থ্য ইন্সটিটিউটের উদ্যোগে পথ খাবারের ওপর পরিচালিত সমীক্ষায় যে রোগ-জীবাণু পাওয়া গেছে, তার বেশিরভাগই পানিবাহিত।
বাসাবাড়িতে পানি সংরক্ষণের জন্য সাধারণত বিভিন্ন ধরনের প্লাস্টিক, এলুমিনিয়াম বা স্টিল নির্মিত পাত্র ব্যবহার করা হয়। চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে, পানি সংরক্ষণ ও পান করার জন্য কাঁচের পাত্র সবচেয়ে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যবান্ধব। এখানে উল্লেখ করা প্রাসঙ্গিক, নবম শতকে মুসলিম শাসন আমলে স্পেনের (আন্দালুসিয়া) আমিরের (বাদশা) দরবারের বিখ্যাত গায়ক, ফ্যাশন ডিজাইনার, কবি, শিক্ষক আবু আল হাসান আলী ইবনে নাফি ওরফে জির’আব পৃথিবীতে প্রথম কাচের গ্লাসে পানি পানের প্রচলন করেন।
ঢক ঢক করে দু’ঢোক বিশুদ্ধ পানি পান করে নিলেই পানিবিষয়ক সতর্কতা, সচেতনতা ও সব দায়িত্ব সম্পন্ন হয়ে গেলÑ মনে করার কোনো কারণ নেই। জাতিসংঘ বলছে, ২০৩০ সাল নাগাদ ৩৫টি দেশে পানি দুর্লভ হয়ে পড়বে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফের রিপোর্ট মতে, ২০১২ সালে ১০০ কোটির বেশি মানুষ নিরাপদ পানির সংকটে ভুগেছিল। ২০ বছর পর বাংলাদেশের ১০ কোটিসহ বিশ্বের কমপক্ষে ৪০০ কোটি মানুষ বিশুদ্ধ পানির সংকটে নিপতিত হবে। দেশের বাইরে থেকে নদী-নালা, খাল-বিলে প্রবাহিত পানিতে আমাদের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই, ফলে এ পানিকে কেন্দ্র করে সুদূরপ্রসারী ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং বাস্তবায়ন সম্ভবপর হয় না। এ প্রেক্ষাপটে, আমাদের অদক্ষতায় পানি যেন জীবন, প্রকৃতি ও পরিবেশের জন্য হুমকি তৈরি করতে না পারে সে দিকে লক্ষ্য রেখে পানিসম্পদকে সমৃদ্ধ করতে হবে।

লেখক ঁ নিজস্ব প্রতিবেদক

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 261 People

সম্পর্কিত পোস্ট